প্রধানমন্ত্রী জলজীবন মিশনে নিম্নমানের কাজ করে সরকারি অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ কিছু সংখ্যক ঠিকেদারের বিরুদ্ধে

বিশ্বেশর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৪ নভেম্বর || প্রধানমন্ত্রী জনজীবন মিশনের মাধ্যমে ত্রিপুরা রাজ্যে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের এই উদ্দ্যেশ্যকে নষ্ট করে দিয়ে রাজ্য সরকারের নাম নষ্ট করতে কাজ করে যাচ্ছে কিছু অসাধু ঠিকেদার। যার চিত্র লক্ষ্য করা গেলো বেতাগা নাথ কলোনী এলাকায়। এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রী জলজীবন মিশনে ঘরে ঘরে জল পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে সুশান্ত পাল ও দেবব্রত দাস নামে দুই ঠিকেদার। এই দুই ঠিকেদার মিলে রাতারাতি বড়লোক হবার আশায় কাজটি নিম্মমানের করে গেছে বলে অভিযোগ।
জানা যায়, জলের পাইপ লাইনের জন্য যতটুকু ড্রাইভ করে ড্রেইন নির্মান করার কথা ছিলো তা করা হয়নি। যার ফলে জলের পাইপের অধিকাংশ মাটির উপরে চলে এসেছে। এছারা পাইপ বসানোর পর সঠিকভাবে মাটি দিয়েও পাইপটিকে চাপা দেওয়া হয়নি। পাইপের যেসকল অংশ থেকে বাড়ি বাড়ি জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে সেই সকল জায়গা থেকে জল বের হয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠে আসছে। বাড়িঘরে জলের সংযোগ দেওয়ার পর সাপ্লাইয়ের লাইনে সিমেন্টের তৈরি সামগ্রীগুলি নিম্নমানের হবার জন্য ভেঙ্গে পরে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে আসছে। জল সংযোগ দেবার পর জল বন্ধ করার জন্য টেপ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। এই সকল অভিযোগগুলি পাওয়ার পর সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদমাধ্যকেও হুমকি দেয় ঠিকেদাররা। গ্রামের লোকজনদের হুলিয়া জারি করে যে অভিযোগ করবে তাদের জলের সংযোগ দেওয়া হবেনা। অপরদিকে দেবব্রত দাস নামে ঠিকেদার এক সাংবাদিকের বাসভবনে গিয়ে সংবাদপ্রকাশ হলে দেখেনে ওয়ার হুমকি দিয়ে আসে। সংবাদমাধ্যম সবসময় জনগণের হয়ে ঘটনার সত্যতা সকলের সামনে তুলে ধরে। তাই চুনুপুটি ঠিকেদারের ধমকিকে উপেক্ষা করে এলাকার জনগনের সুবিধার্থে সংবাদপ্রকাশ করা হয়। এই সকল নিম্মমানের কাজের কথা জানতে পেরেও কাজের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। জানা গেছে কাজের লভাংশের কিছু অর্থ কাজের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক সহ দপ্তরের কিছু কর্মীর পকেটে যাচ্ছে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*