আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ আগস্ট || রাজ্যে প্রবল বর্ষণে রাজ্যের প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখনো পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ৪৫০টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। এই ত্রাণ শিবিরে প্রায় ৬৫ হাজার ৪০০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান রাজ্যের রাজস্ব দপ্তরের সচিব ব্রিজেশ পান্ডে।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, রাজ্যে গত ৪ দিনের ভারী বর্ষণের ফলে রাজ্যের নদীগুলোর জলস্তর বেড়ে যাচ্ছে। রাজ্যের ধলাই, খোয়াই, দক্ষিণ, পশ্চিম জেলা, উত্তর ত্রিপুরা এবং ঊনকোটি জেলার নদীগুলির জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। বিশেষ করে গোমতী, দক্ষিণ জেলা, ঊনকোটি এবং পশ্চিম জেলা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি বলেন, গোমতী ও দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় আটকে পড়া ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের জন্য রাজ্য সরকারের অনুরোধে কেন্দ্রীয় সরকার দুইটি হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে। ওই হেলিকপ্টারে উদ্ধারকার্য চালানোর পাশাপাশি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গ্রামোন্নয়ন, জলসম্পদ, বিদ্যুৎ, আরক্ষা, আধাসামরিক বাহিনী, অগ্নিনির্বাপক ইত্যাদি দপ্তরের অফিসার এবং কর্মীরা গত ৪ দিন ধরে বন্যা বিধ্বস্ত জনগণের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যে নিয়োজিত রয়েছেন।
তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, রাজ্যে বিদ্যুৎ দপ্তরের ৮৪৪টি খুঁটি ভেঙে পড়েছে, ১৫১টি ট্রান্সফরমার, ৩১০ কিমি কন্ডাক্টরস এবং ২টি সাব-স্টেশন সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
