জমি বিরোধ ঘিরে শ্বশুরকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, এডি নগর থানায় মেয়ের জামাইয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দাবি

এফ আই আর কপি

আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০১ মার্চ || রাজধানীর এডি নগর থানাধীন এলাকায় পারিবারিক জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অভিযোগকারী দুলাল চন্দ্র দাস (৮০), পিতা মৃত ভক্তলাল দাস, বাড়ি উত্তর বাধাঘাটস্থিত সুভাষপল্লী এলাকায়। তিনি এডি নগর থানার ওসি-র কাছে লিখিত আবেদন জানিয়ে এফআইআর গ্রহণ ও উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ কর্মী সুমন দেব, অভিযুক্তের মেয়ে জামাই।

লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, প্রায় ৩–৪ বছর আগে তিনি তাঁর বড় মেয়ে ও ছোট মেয়েকে মোট ১.২৫ গণ্ডা জায়গা সমানভাবে ভাগ করে দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ছোট মেয়ের স্বামী সুমন দেব, পিতা অমত দেব, বাড়ি রাজধানীর বড়দোয়ালীস্থিত বিপিসি ক্লাব সংলগ্ন এলাকায়। তিনি (সুমন) পরবর্তীতে বড় মেয়ের কাছ থেকে প্রায় অর্ধেক অংশ কিনে বাড়ি নির্মাণ শুরু করেন। এরপর অভিযুক্ত আরও কিছু জমি নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে দাবি অভিযোগকারীর।
দুলাল বাবুর অভিযোগ, জমি দখলের চেষ্টা ব্যর্থ হলে সুমন দেব বিভিন্নভাবে তাঁকে মানসিকভাবে হেনস্থা করতে থাকেন। এমনকি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করলে তাঁর ছেলেদেরও হুমকি দেওয়া হয় বলে তিনি জানিয়েছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্ত বর্তমানে ত্রিপুরা পুলিশে কর্মরত এবং পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপারের দপ্তরে দায়িত্বে রয়েছেন। নিজের পেশাগত প্রভাব খাটিয়ে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে না—এমন কথাও বলা হয়েছে বলে অভিযোগ।
এছাড়া নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে পৌরসভার অনুমোদন না নিয়েই কাজ চলছে বলে অভিযোগকারীর দাবি। বিষয়টি জানানো হলে পৌর কর্তৃপক্ষ কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও তা অমান্য করে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
সমস্ত ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে দুলাল চন্দ্র দাস অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*