আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৯ অক্টোবর || শারদোৎসব শেষ হতেই শুরু হয়েছে শ্যামা মায়ের আরাধনার প্রস্তুতি। আর দীপাবলি মানেই আলোর রোশনাইয়ের পাশাপাশি বাজি ও পটকার দাপট। এর ফলে পরিবেশে শব্দদূষণের আশঙ্কা বাড়ে। শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এগিয়ে এল উইমেন্স কলেজের জাতীয় সেবা প্রকল্প (NSS) ইউনিট।
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে উইমেন্স কলেজের NSS ইউনিটের উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সহযোগিতায় এক শব্দদূষণবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচির আওতায় NSS স্বেচ্ছাসেবীরা পথচলতি মানুষ, যানবাহনের চালক এবং স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীদের হাতে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতামূলক লিফলেট তুলে দেন।
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল শব্দদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করা এবং উৎসবের মরশুমে পরিবেশবান্ধব ও দায়িত্বশীল আচরণে উৎসাহিত করা। স্বেচ্ছাসেবীদের বক্তব্য, বর্তমানে বিভিন্ন শুভ অনুষ্ঠান, পূজা-পার্বণ এবং প্রচারমূলক কর্মসূচিতে অতিরিক্ত শব্দযুক্ত বাজি-পটকা ও ডিজে ব্যবহারের প্রবণতা জনজীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
অতিরিক্ত শব্দের কারণে পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি হৃদ্রোগীসহ শব্দের প্রতি সংবেদনশীল ব্যক্তিদেরও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাই উৎসবের আনন্দ উপভোগ করার পাশাপাশি অন্যের স্বাচ্ছন্দ্য ও সুস্থতার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে জানান স্বেচ্ছাসেবীরা।
এই সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। উৎসবের আনন্দ যেন অন্যের দুর্ভোগের কারণ না হয়ে ওঠে, সেই বার্তাই তুলে ধরেন NSS স্বেচ্ছাসেবীরা।
সমগ্র কর্মসূচিটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন কলেজের NSS প্রোগ্রাম অফিসার রমা ভট্টাচার্য।
