আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ আগষ্ট ৷৷ শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক বুনিয়াদি শিক্ষায় নিয়োজিত অযোগ্য শিক্ষকদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে শেষ সুযোগ প্রদানের জন্য গত ৩রা আগষ্ট দেশের সবকটি রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে শিক্ষক কর্মচারীদের কিছুই জানায় নি। সমস্ত ঘটনাটা ধামাচাপা দিয়ে রাখে। গত ২০ আগষ্ট রাজ্য সরকারের তরফে এ মর্মে ছোট্ট একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়, যা শিক্ষক কর্মচারীদের ঠিক মতো নজরেই আসেনি। সম্প্রতি একটি দৈনিক সংবাদপত্রে এ সংক্রান্ত তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ প্রকাশের পর গোটা রাজ্য জুরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং জনস্বার্থবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ এনে ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি’র তরফে তীব্র সমালোচনা করা হয়। মঙ্গলবার বিজেপি আহুত এক সাংবাদিক সন্মেলনে ডাঃ অশোক সিনহা রাজ্যের সংবাদ মাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান এরকম একটি সংবাদ প্রকাশ করে সকলের সামনে নিয়ে আসার জন্য। তিনি সরকারী, বেসরকারী এবং আধা সরকারী সমস্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীদের কাছে আহ্বান জানান, তারা যেন তাদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য সুযোগ পায় সে জন্য তারা যেন তাদের বিদ্যালয়ের উপর এবং রাজ্য সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে।অযোগ্য শিক্ষকদের যোগ্যতা ইস্যুতে সরব বিজেপি
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ আগষ্ট ৷৷ শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক বুনিয়াদি শিক্ষায় নিয়োজিত অযোগ্য শিক্ষকদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে শেষ সুযোগ প্রদানের জন্য গত ৩রা আগষ্ট দেশের সবকটি রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার এ ব্যাপারে শিক্ষক কর্মচারীদের কিছুই জানায় নি। সমস্ত ঘটনাটা ধামাচাপা দিয়ে রাখে। গত ২০ আগষ্ট রাজ্য সরকারের তরফে এ মর্মে ছোট্ট একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়, যা শিক্ষক কর্মচারীদের ঠিক মতো নজরেই আসেনি। সম্প্রতি একটি দৈনিক সংবাদপত্রে এ সংক্রান্ত তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ প্রকাশের পর গোটা রাজ্য জুরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং জনস্বার্থবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ এনে ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি’র তরফে তীব্র সমালোচনা করা হয়। মঙ্গলবার বিজেপি আহুত এক সাংবাদিক সন্মেলনে ডাঃ অশোক সিনহা রাজ্যের সংবাদ মাধ্যমকে ধন্যবাদ জানান এরকম একটি সংবাদ প্রকাশ করে সকলের সামনে নিয়ে আসার জন্য। তিনি সরকারী, বেসরকারী এবং আধা সরকারী সমস্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীদের কাছে আহ্বান জানান, তারা যেন তাদের যোগ্যতা অর্জনের জন্য সুযোগ পায় সে জন্য তারা যেন তাদের বিদ্যালয়ের উপর এবং রাজ্য সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে।