বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ সেপ্টেম্বর ৷৷ আসন্ন দূর্গাপূজা পর্যন্ত ৪৪ নং জাতীয় সড়ক যানজট থেকে মুক্ত রাখার জন্য শান্তির বাজার মহকুমা শাসক বিশ্বশ্রী বি সোমবার থেকে এক বিশেষ উদ্দ্যোগ নিয়েছেন। এতে করে শান্তির বাজার মহকুমা শাসক নিজে রাস্তায় গিয়ে গাড়ী নির্দিষ্ট জায়গায় পার্কিং এর আদেশ দিচ্ছেন। যারা এই আদেশ ভঙ্গ করে তাদের তাদের জন্য ফাইন এর ব্যাবস্থা করেছেন মহকুমা শাসক। তাছারা হেলমেট বিহীন বাইক, গাড়ীর ওভার লোড, বাসে যাত্রীদের টিকিট ছারা উঠানো বা বাসে পেসেঞ্জার দার করে নেওয়া, গাড়ী করে রান্নার গেস বহন করা এই সব অবৈধ কাজ নিয়ে ফাইন ও কেইস এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই অভিযানে নামার আগে বিগত কয়েকদিন যাবৎ মহকুমা শাসক-র পক্ষ থেকে মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও যে সকল লোকজন মহকুমা শাসক এর আদেশকে তোয়াক্কা করছেনা তাদের জন্য মহকুমা শাসক নিজেই ময়দানে নেমেছেন। সোমবার শান্তির বাজার এই অভিজান চালানো হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে বাইখোড়া বাজারে এই অভিজান চালানো হয়। মহকুমা শাসক-র পাশাপাশি এই কাজে হাত বারিয়ে দিয়েছে ডি সি এম সরূপ কুমার পাল, রুদ্রদ্বীপ নাথ, সৈকত সাহা এবং ডি টি ও তথা বগাফা ব্লকের বি ডি ও প্রদীপ সরকার। সকলে মিলে এই বিশেষ অভিযানে অংশ গ্রহন করেছেন।জাতীয় সড়ক যানজট মুক্ত রাখতে শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের বিশেষ উদ্যোগ
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ সেপ্টেম্বর ৷৷ আসন্ন দূর্গাপূজা পর্যন্ত ৪৪ নং জাতীয় সড়ক যানজট থেকে মুক্ত রাখার জন্য শান্তির বাজার মহকুমা শাসক বিশ্বশ্রী বি সোমবার থেকে এক বিশেষ উদ্দ্যোগ নিয়েছেন। এতে করে শান্তির বাজার মহকুমা শাসক নিজে রাস্তায় গিয়ে গাড়ী নির্দিষ্ট জায়গায় পার্কিং এর আদেশ দিচ্ছেন। যারা এই আদেশ ভঙ্গ করে তাদের তাদের জন্য ফাইন এর ব্যাবস্থা করেছেন মহকুমা শাসক। তাছারা হেলমেট বিহীন বাইক, গাড়ীর ওভার লোড, বাসে যাত্রীদের টিকিট ছারা উঠানো বা বাসে পেসেঞ্জার দার করে নেওয়া, গাড়ী করে রান্নার গেস বহন করা এই সব অবৈধ কাজ নিয়ে ফাইন ও কেইস এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই অভিযানে নামার আগে বিগত কয়েকদিন যাবৎ মহকুমা শাসক-র পক্ষ থেকে মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও যে সকল লোকজন মহকুমা শাসক এর আদেশকে তোয়াক্কা করছেনা তাদের জন্য মহকুমা শাসক নিজেই ময়দানে নেমেছেন। সোমবার শান্তির বাজার এই অভিজান চালানো হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে বাইখোড়া বাজারে এই অভিজান চালানো হয়। মহকুমা শাসক-র পাশাপাশি এই কাজে হাত বারিয়ে দিয়েছে ডি সি এম সরূপ কুমার পাল, রুদ্রদ্বীপ নাথ, সৈকত সাহা এবং ডি টি ও তথা বগাফা ব্লকের বি ডি ও প্রদীপ সরকার। সকলে মিলে এই বিশেষ অভিযানে অংশ গ্রহন করেছেন।