আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৮ এপ্রিল ৷৷ আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য। কিন্তু আইন রক্ষাকারী পুলিশের বিরুদ্ধে যখন গাফিলতির অভিযোগ উঠে যায় তখনই কিন্তু নানা প্রশ্ন শুরু হয়। এবার বেআইনি ভাবে মদ বিক্রি করা এক কারবারীর কাছ থেকে মাসিক হপ্তা আদায়ের অভিযোগ উঠলো এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনা রাজধানীর রামনগর পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এয়ারপোর্ট সড়কের নতুননগর এলাকায় অসামাজিক কাজকর্ম চালানোর অভিযোগ উঠছিল কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এলাকার মানুষ সেসময় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোন সুরাহা পায়নি। এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরছে বেআইনি মদের কারবারি প্রমোদ দাস। এবার রাতের আঁধারে সেই প্রমোদ দাসের সাথে দেখা করে মাসিক হপ্তা উসুলের অভিযোগ উঠলো রামনগর ফাঁড়ির দুই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। জনসাধারণ একত্রিত হয়ে একযোগে আটক করলো সঞ্জিত পাল নামে এক পুলিশ কর্মীকে। কিন্তু পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় দীপঙ্কর দাস নামে এক পুলিশ কর্মী। ধরা পড়ার পর সঞ্জিত পাল নামে ওই পুলিশ কর্মী স্বীকার করে সেকেন্ড ওসি দেবজ্যোতি মজুমদারের নির্দেশে সে ওই এলাকায় গিয়েছে। তবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী হপ্তা উসুলের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।নেশা কারবারীর কাছ থেকে মাসিক হপ্তা আনতে গিয়ে আটক এক পুলিশ কর্মী
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৮ এপ্রিল ৷৷ আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য। কিন্তু আইন রক্ষাকারী পুলিশের বিরুদ্ধে যখন গাফিলতির অভিযোগ উঠে যায় তখনই কিন্তু নানা প্রশ্ন শুরু হয়। এবার বেআইনি ভাবে মদ বিক্রি করা এক কারবারীর কাছ থেকে মাসিক হপ্তা আদায়ের অভিযোগ উঠলো এক পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনা রাজধানীর রামনগর পুলিশ ফাঁড়ির বিরুদ্ধে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এয়ারপোর্ট সড়কের নতুননগর এলাকায় অসামাজিক কাজকর্ম চালানোর অভিযোগ উঠছিল কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এলাকার মানুষ সেসময় পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোন সুরাহা পায়নি। এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরছে বেআইনি মদের কারবারি প্রমোদ দাস। এবার রাতের আঁধারে সেই প্রমোদ দাসের সাথে দেখা করে মাসিক হপ্তা উসুলের অভিযোগ উঠলো রামনগর ফাঁড়ির দুই পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে। জনসাধারণ একত্রিত হয়ে একযোগে আটক করলো সঞ্জিত পাল নামে এক পুলিশ কর্মীকে। কিন্তু পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় দীপঙ্কর দাস নামে এক পুলিশ কর্মী। ধরা পড়ার পর সঞ্জিত পাল নামে ওই পুলিশ কর্মী স্বীকার করে সেকেন্ড ওসি দেবজ্যোতি মজুমদারের নির্দেশে সে ওই এলাকায় গিয়েছে। তবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী হপ্তা উসুলের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।