বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৮ নভেম্বর ৷৷ বেতাগা সার্ব্বজনীন দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এক রক্তদান শিবির। রবিবার দুপুরে শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত বেতাগা বাজারে দূর্গাপূজা প্রাঙ্গনে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এই রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। রক্তদান শিবিরের প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যদিয়ে শুভসূচনা করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মন। মন্ত্রীকে পুস্প ও শঙ্কের ধ্বনির মাধ্যমে বরণ করে নেন একালার লোকজন। এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মন, বিধায়ক সুসান্ত চৌধুরী, বিধায়ক অরুনচন্দ্র ভৌমিক, প্রাক্তন বিধায়ক অমল মল্লিক, দক্ষিন জেলা পরিষদের সদস্য বিভিষন দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী সত্যব্রত সাহা প্রমুখ। শিবিরে শান্তিরবাজার বিধানসভা ও বিলোনীয়া বিধানসভার লোকজন রক্তদান করেন। এই শিবিরে মোট ৫৬ জন রক্তদান করেন যার মধ্যে মহিলার সংখ্যা ৯ জন। এই শিবিরে বিলোনীয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ৩১ জন রক্তদান করেন ও শান্তির বাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ২৫ জন লোক অংশগ্রহন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক সুসান্ত চৌধুরী জানান, রক্তদান সম্পর্কে অনেকের মনে ভয়ভীতি রয়েছে এই ভয় ভীতি ত্যাগ করে সকলকে রক্তদানে এগিয়ে আস্তে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির এখন খুবই করুন অবস্থা। মুমর্ষ রোগিদের যে পরিমান রক্তের প্রয়োজন রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে ও আগরতলা ব্লাড ব্যাঙ্কেও সেই পরিমান রক্তের মজুত নেই। রক্তদান শিবির ঘটাকরে করার প্রয়োজন নেই বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রক্তদানে মাইকের প্রয়োজন নেই, স্টেইজের প্রয়োজন নেই ও শিবির করার জন্য আগরতলা থেকে কাউকে আনার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, রাজ্যে রক্তের চাহিদা মেটাতে সকলকে প্রত্যেক তিন মাস অন্তর অন্তর সকলকে রক্তাদানে অংশগ্রহন করতে হবে।বেতাগা বাজারে অনুষ্ঠিত রক্তদান শিবিরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৮ নভেম্বর ৷৷ বেতাগা সার্ব্বজনীন দূর্গা পূজা কমিটির উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এক রক্তদান শিবির। রবিবার দুপুরে শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত বেতাগা বাজারে দূর্গাপূজা প্রাঙ্গনে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এই রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। রক্তদান শিবিরের প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যদিয়ে শুভসূচনা করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মন। মন্ত্রীকে পুস্প ও শঙ্কের ধ্বনির মাধ্যমে বরণ করে নেন একালার লোকজন। এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মন, বিধায়ক সুসান্ত চৌধুরী, বিধায়ক অরুনচন্দ্র ভৌমিক, প্রাক্তন বিধায়ক অমল মল্লিক, দক্ষিন জেলা পরিষদের সদস্য বিভিষন দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী সত্যব্রত সাহা প্রমুখ। শিবিরে শান্তিরবাজার বিধানসভা ও বিলোনীয়া বিধানসভার লোকজন রক্তদান করেন। এই শিবিরে মোট ৫৬ জন রক্তদান করেন যার মধ্যে মহিলার সংখ্যা ৯ জন। এই শিবিরে বিলোনীয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ৩১ জন রক্তদান করেন ও শান্তির বাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ২৫ জন লোক অংশগ্রহন করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক সুসান্ত চৌধুরী জানান, রক্তদান সম্পর্কে অনেকের মনে ভয়ভীতি রয়েছে এই ভয় ভীতি ত্যাগ করে সকলকে রক্তদানে এগিয়ে আস্তে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ব্লাড ব্যাঙ্কগুলির এখন খুবই করুন অবস্থা। মুমর্ষ রোগিদের যে পরিমান রক্তের প্রয়োজন রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে ও আগরতলা ব্লাড ব্যাঙ্কেও সেই পরিমান রক্তের মজুত নেই। রক্তদান শিবির ঘটাকরে করার প্রয়োজন নেই বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রক্তদানে মাইকের প্রয়োজন নেই, স্টেইজের প্রয়োজন নেই ও শিবির করার জন্য আগরতলা থেকে কাউকে আনার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, রাজ্যে রক্তের চাহিদা মেটাতে সকলকে প্রত্যেক তিন মাস অন্তর অন্তর সকলকে রক্তাদানে অংশগ্রহন করতে হবে।