বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২২ এপ্রিল ৷। করোনা ভাইরাসের মহামারি থেকে সকলে রক্ষার জন্য সারা দেশজুরে লকডাউন পক্রিয়া চালু করা হয়েছে। বিগত দিনে আধিকাংশ লোকজন এই লকডাউন মেনেছেন, কিন্তু ২০ তারিখের পর থেকেই সকলেই স্বতস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে পরছে। শান্তিরবাজারের আধিকাংশ বিক্রেতা দোকানের হাফ শাটার খুলে জিনিষপত্র বিক্রি শুরু করে দিয়েছে। সকলেই একটা কথা বলছে মহকুমা শাসক নাকি সকলকে দোকান খোলারাখার নির্দেশ দিয়েছেন। শান্তির বাজার মহকুমা শাসক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের খামখেয়ালিপনায় লকডাউন প্রায় শেষের পথে বলে অকাংশের অভিযোগ। শান্তিরবাজারের অধিকাংশ লোক ভাবছে লকডাউন শেষ। যার ফলে রাস্তায় অটোচালকরা নেমে পরেছে। রাস্তায় বাইক চালকদের ভীর। সকলে কোনো প্রকার সামাজিক দুরত্ব ছারাই চলছে আগের মতো। শান্তিরবাজার প্রতিটি ব্যাঙ্কে গ্রাহকদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক কথায় বলা চলে মহকুমা প্রসাশনের উদাসিনতার কারনে লকডাউন প্রায় শেষের পথে শান্তিরবাজারে।প্রসাশনিক উদাসিনতার কারনে ভেস্তে যাচ্ছে লকডাউন
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২২ এপ্রিল ৷। করোনা ভাইরাসের মহামারি থেকে সকলে রক্ষার জন্য সারা দেশজুরে লকডাউন পক্রিয়া চালু করা হয়েছে। বিগত দিনে আধিকাংশ লোকজন এই লকডাউন মেনেছেন, কিন্তু ২০ তারিখের পর থেকেই সকলেই স্বতস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমে পরছে। শান্তিরবাজারের আধিকাংশ বিক্রেতা দোকানের হাফ শাটার খুলে জিনিষপত্র বিক্রি শুরু করে দিয়েছে। সকলেই একটা কথা বলছে মহকুমা শাসক নাকি সকলকে দোকান খোলারাখার নির্দেশ দিয়েছেন। শান্তির বাজার মহকুমা শাসক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের খামখেয়ালিপনায় লকডাউন প্রায় শেষের পথে বলে অকাংশের অভিযোগ। শান্তিরবাজারের অধিকাংশ লোক ভাবছে লকডাউন শেষ। যার ফলে রাস্তায় অটোচালকরা নেমে পরেছে। রাস্তায় বাইক চালকদের ভীর। সকলে কোনো প্রকার সামাজিক দুরত্ব ছারাই চলছে আগের মতো। শান্তিরবাজার প্রতিটি ব্যাঙ্কে গ্রাহকদের ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক কথায় বলা চলে মহকুমা প্রসাশনের উদাসিনতার কারনে লকডাউন প্রায় শেষের পথে শান্তিরবাজারে।