বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ নভেম্বর ৷। নোংরা আবর্জনায় পরিপূর্ন জোলাইবাড়ীর মাছ ও মাংস বাজার। জানা যায়, দীর্ঘ অনেক মাস যাবৎ জোলাইবাড়ীর মাছ ও মাংস বাজার আবর্জনায় পরিপূর্ন হয়ে রয়েছে। এই বাজারটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার মতো লোকজন নেই। এই বাজারের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত দিনে বাজার পরিষ্কার করার জন্য একজন সাফাই কর্মী ছিলো। যা বর্তমান নেই। বাজারের ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারের প্রত্যেক ব্যবসায়ী সাপ্তাহিক বাজারে সাফাইকর্মীকে ১০ টাকা করে দিতেন। কিন্তু কোনো এক অঞ্জাত কারনে বাজরে আর সাফাইকর্মী আসছেন না। তাই জোলাইবাড়ীর মাছ ও মাংস বাজারে আবর্জনায় পরিপূর্ন হয়ে রয়েছে। এই আবর্জনা থেকে প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধ আসে। যার ফলে বাজারে আগত ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই সমস্যার সন্মুখিন হতে হয়। তাই এখন বাজারের ব্যবসায়ীরা চাইছে এই বাজারে পুনরায় সাফাই কর্মী নিয়োগ করা হোক। এখন দেখার বিষয় জোলাইবাড়ী বাজার উন্নয়ন প্রকল্পে প্রসাশন কি প্রকার পদক্ষেপ গ্রহন করে।নোংরা আবর্জনায় পরিপূর্ন জোলাইবাড়ীর মাছ ও মাংস বাজার
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ নভেম্বর ৷। নোংরা আবর্জনায় পরিপূর্ন জোলাইবাড়ীর মাছ ও মাংস বাজার। জানা যায়, দীর্ঘ অনেক মাস যাবৎ জোলাইবাড়ীর মাছ ও মাংস বাজার আবর্জনায় পরিপূর্ন হয়ে রয়েছে। এই বাজারটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার মতো লোকজন নেই। এই বাজারের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিগত দিনে বাজার পরিষ্কার করার জন্য একজন সাফাই কর্মী ছিলো। যা বর্তমান নেই। বাজারের ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাজারের প্রত্যেক ব্যবসায়ী সাপ্তাহিক বাজারে সাফাইকর্মীকে ১০ টাকা করে দিতেন। কিন্তু কোনো এক অঞ্জাত কারনে বাজরে আর সাফাইকর্মী আসছেন না। তাই জোলাইবাড়ীর মাছ ও মাংস বাজারে আবর্জনায় পরিপূর্ন হয়ে রয়েছে। এই আবর্জনা থেকে প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধ আসে। যার ফলে বাজারে আগত ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ই সমস্যার সন্মুখিন হতে হয়। তাই এখন বাজারের ব্যবসায়ীরা চাইছে এই বাজারে পুনরায় সাফাই কর্মী নিয়োগ করা হোক। এখন দেখার বিষয় জোলাইবাড়ী বাজার উন্নয়ন প্রকল্পে প্রসাশন কি প্রকার পদক্ষেপ গ্রহন করে।