আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ মার্চ || গত ১৮ই মার্চ সাব্রুমে রাজ্যভিত্তিক মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব সুস্থ কৈশোর অভিযানের চতুর্থ পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। সোমবার থেকে রাজ্যের সবকটি জেলাতেই এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি।
সোমবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে “মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ শৈশব, সুস্থ কৈশোর অভিযান – ৪.০” জেলা ভিত্তিক প্রারম্ভ’র সূচনা হয়। সোমবার রাজধানীর অরুন্ধতীনগরস্থিত ৩৯নং পুর ওয়ার্ডের অরুন্ধতীনগর কমিউনিটি হলে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, ৩৯নং পুর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর অলক রায়, জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক সহ অন্যান্যরা।
জানা যায়, আগামী ২৫ মার্চ পর্যন্ত অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার, বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় সহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশা কর্মী ও স্বাস্থ্য কর্মীরা গিয়ে এই অভিযানের পরিষেবা প্রদান করবেন। যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই পরিষেবার আওতায় আসবে না তাদের বাড়িতে গিয়ে আগামী ২৫শে মার্চ থেকে ২৮শে মার্চ পর্যন্ত এই পরিষেবা দেওয়া হবে।
জানা যায়, এই অভিযানে ০ থেকে ১৯ বছর বয়সী শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ঔষধ খাওয়ানো হবে। কৃমিনাশক দিবস কর্মসূচিতে ১ থেকে ১৯ বছরের ছেলে-মেয়ে ও কিশোর-কিশোরীদের কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো হবে।
ভিটামিন -এ সম্পূরক কর্মসূচিতে ৯ মাস বয়স থেকে ৫ বছরের ছেলে মেয়েকে ভিটামিন -এ সম্পূরক খাওয়ানো হবে।
আয়রন ফলিক এসিড কর্মসূচি আওতায় রাজ্যের ১০ থেকে ১৯ বছরের ছেলে-মেয়েদের আয়রন এসিড ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে।
ডায়রিয়া প্রতিরোধে ০ থেকে ৫ বছর বয়সের ছেলে-মেয়েকে ওআরএস এবং জিংক ট্যাবলেট বিতরণ করা হবে।
পোষণ অভিযানের অন্তর্গত ০ থেকে ৬ বছর বয়সী ছেলে-মেয়ের ওজন ও উচ্চতা মাপার মাধ্যমে পুষ্টিমান নির্ণয় করা হবে।
১০ বছর বয়সের ছেলে-মেয়ে এবং ১৬ বছর বয়সের টিডি -১৬ দেওয়া হবে বলে জানা যায়।
