গোপাল সিং, খোয়াই, ০২ নভেম্বর || উত্তর ত্রিপুরা ধলিয়ার কান্দি পঞ্চায়েতে অস্থায়ী প্রধান ফাতেমা বেগমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। সরকারি প্রকল্পের অর্থ এবং সামগ্রী ব্যবহারে অনিয়ম ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি পঞ্চায়েতের উদ্যোগে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরকারি সোলার লাইট বসানোর কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ লাইট নাকি অস্থায়ী প্রধান ফাতেমা বেগম ও কয়েকজন সদস্য নিজেদের বাড়ি ও আশেপাশের এলাকায় বসিয়েছেন। এতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
এলাকাবাসীর দাবি, এই নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই ফাতেমা বেগম ও তার স্বামী শাহেদ আলী প্রতিবাদীদের ওপর হামলা চালান। কয়েকজন আক্রান্ত ব্যক্তি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে উল্টে তাদের বিরুদ্ধেই মিথ্যা মামলা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “পঞ্চায়েতে দুর্নীতি, আত্মসাৎ আর ক্ষমতার অপব্যবহার এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে কিংবা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।”
প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে গ্রামবাসীরা জানান, তারা শিগগিরই একটি লিখিত স্মারকলিপি জমা দেবেন।
স্থানীয়দের বক্তব্য, “সরকারি প্রকল্পের টাকায় নিজেদের বাড়ি আলোকিত করছেন পঞ্চায়েতের কর্তা। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হব।”
অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার তদন্ত ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ধলিয়ার কান্দি পঞ্চায়েতে বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
