আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৫ জুন ৷৷ এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে খুমুলুঙয়ে সূচনা হল তিনদিন ব্যাপী বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক ফ্লিম ফেস্টিভ্যালের। খুমুলুঙয়ে বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই ফ্লিম ফেস্টিভ্যাল চল্বে শুক্রবার পর্যন্ত। এই ভিন্ন ধরনের ফ্লিম ফেস্টিভ্যাল ‘বসুন্ধরা’ আগরতলায় ৮-৯ জুলাই এবং আমবাসায় ১০-১১ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। ইয়থ ফর ইন্ট্রেগ্রেশন-র উদ্যোগে সংযোগ ট্রাস্ট, এন ওয়াই পি স্টেট এক্সিকিউটিভ কমিটি, ন্যাশনাল ইয়ুথ প্রোজেক্ট এন্ড যুব বিকাশ কেন্দ্র, উত্তরণ স্যোসাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি এবং সাতারুপা সামাজিক সংস্থার সহযোগীতায় খুমুলুঙয়ে আয়োজিত বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক ফ্লিম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করেন TTAADC-র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের কার্যনির্বাহী সদস্য জয় বাহাদুর জমাতিয়া। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিল TTAADC-র শিল্প দপ্তরের কার্যনির্বাহী সদস্য পরেশ চন্দ্র সরকার, বসুন্ধরা ফ্লিম ফেস্টিভ্যালের পরিচালক ভিরেন্দ্র চিত্রভ সহ সামাজিক সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, বসুন্ধরাকে রক্ষা করার জন্য পরিবেশ, বন্যপ্রানী, শক্তি, বায়ু জল ইত্যাদি সমুদ্রের সংরক্ষন বিষয়ক সচেতনতা জাগানোই হচ্ছে এর মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবছর প্রায় ১২০০ চলচিত্র সংগ্রহ করা হয় ৪০টি দেশ থেকে। তার মধ্যে ২৫টি দেশের নির্বাচিত ১৩৫টি চলচিত্র দেখানো হয়ে থাকে এই উৎসবে। ছোট, পূর্ণ দৈর্ঘের ছবি, কথাচিত্র সবই দেখানো হয় এতে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে পুরস্কার বিজেতা কিংবা প্রশংসিত চলচিত্রগুলিই এই উৎসবে স্থান পায়।বসুন্ধরা চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা খুমুলুঙয়ে
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৫ জুন ৷৷ এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে খুমুলুঙয়ে সূচনা হল তিনদিন ব্যাপী বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক ফ্লিম ফেস্টিভ্যালের। খুমুলুঙয়ে বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই ফ্লিম ফেস্টিভ্যাল চল্বে শুক্রবার পর্যন্ত। এই ভিন্ন ধরনের ফ্লিম ফেস্টিভ্যাল ‘বসুন্ধরা’ আগরতলায় ৮-৯ জুলাই এবং আমবাসায় ১০-১১ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। ইয়থ ফর ইন্ট্রেগ্রেশন-র উদ্যোগে সংযোগ ট্রাস্ট, এন ওয়াই পি স্টেট এক্সিকিউটিভ কমিটি, ন্যাশনাল ইয়ুথ প্রোজেক্ট এন্ড যুব বিকাশ কেন্দ্র, উত্তরণ স্যোসাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি এবং সাতারুপা সামাজিক সংস্থার সহযোগীতায় খুমুলুঙয়ে আয়োজিত বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক ফ্লিম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন করেন TTAADC-র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের কার্যনির্বাহী সদস্য জয় বাহাদুর জমাতিয়া। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিল TTAADC-র শিল্প দপ্তরের কার্যনির্বাহী সদস্য পরেশ চন্দ্র সরকার, বসুন্ধরা ফ্লিম ফেস্টিভ্যালের পরিচালক ভিরেন্দ্র চিত্রভ সহ সামাজিক সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, বসুন্ধরাকে রক্ষা করার জন্য পরিবেশ, বন্যপ্রানী, শক্তি, বায়ু জল ইত্যাদি সমুদ্রের সংরক্ষন বিষয়ক সচেতনতা জাগানোই হচ্ছে এর মূল উদ্দেশ্য। প্রতিবছর প্রায় ১২০০ চলচিত্র সংগ্রহ করা হয় ৪০টি দেশ থেকে। তার মধ্যে ২৫টি দেশের নির্বাচিত ১৩৫টি চলচিত্র দেখানো হয়ে থাকে এই উৎসবে। ছোট, পূর্ণ দৈর্ঘের ছবি, কথাচিত্র সবই দেখানো হয় এতে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে পুরস্কার বিজেতা কিংবা প্রশংসিত চলচিত্রগুলিই এই উৎসবে স্থান পায়।