বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ অক্টোবর ৷৷ শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত বাইখোড়া নতুন চৌধুরী পাড়া উচ্চ বুনিয়াদি বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ১৬ তম ওয়া উৎসব ২০১৭। এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন সাংসদ জিতেন্দ্র চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার তথ্য ও সংকৃতি দপ্তরের মন্ত্রী ভানুলাল সাহা, দক্ষিন ত্রিপুরার জেলা সভাধিপতি হিমাংশু রায়, শান্তির বাজার মহকুমা শাসক বিশ্বশ্রী বি, দক্ষিন জেলার পুলিশ আধিকারিক এস পি মনচাক ইপার, ত্রিপুরার বিধান সভার বিধায়ক যশবীর ত্রিপুরা, জোলাই বাড়ী ব্লক আধিকারীক সুভাষ দত্ত ও অন্যান্য সন্মানীত অতিথি বৃন্দ। ১৩ এবং ১৪ অক্টোবর দুই দিন ব্যাপী চলবে এই উৎসব। এই ওয়া উৎসবে দুর দুরান্ত বিভিন্ন দোকান পাঠ ও লোকজনের সমাগমে উৎসবের প্রকৃত রূপ ধারন করেছে। ওয়া উৎসবে চক্রগুহে লোকজনের অংশগ্রহন ছিল লক্ষনীয়। উৎসবে শুধু দোকান পাঠ এমন নয় সঙ্গে রাখা হয়েছে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের স্টল। এই স্টল গুলি আমন্ত্রীত অতিথিবৃন্দরা ফিতা কেটে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। অতিথিবৃন্দরা আকাশ বাতি উত্তোলনেও অংশগ্রহন করেন। অনুষ্ঠানের মঞ্জে বিভিন্ন রকমের নৃত্য ও গান পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্র ভানুলাল সাহা জানান হারিয়ে যাওয়া লুপ্তপ্রায় বিভিন্ন সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য সারা বছর ব্যাপী রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টায় বিভিন্ন সম্প্রদারে অনুষ্ঠানকে উৎসবের রূপ দিয়ে সার্বজনিন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজ্যের কোনো কোনো জায়গায় অশান্তির চেষ্টা হয়, মানুষকে অতঙ্কিত করার চেষ্টা হয়, সরকারের সাথে মানুষ মিলে সহজে সেই অবস্থাকে স্বাভাবিক করে তুলেছে। অনুষ্ঠানে আগত অতিথি বৃন্দদের হাত দিয়ে গরীব দুস্ত লোকজনের মধ্যে কম্বল বিতরন করা হয়।১৬তম ওয়া উৎসব অনুষ্ঠিত বাইখোড়ায়
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ অক্টোবর ৷৷ শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত বাইখোড়া নতুন চৌধুরী পাড়া উচ্চ বুনিয়াদি বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ১৬ তম ওয়া উৎসব ২০১৭। এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন সাংসদ জিতেন্দ্র চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার তথ্য ও সংকৃতি দপ্তরের মন্ত্রী ভানুলাল সাহা, দক্ষিন ত্রিপুরার জেলা সভাধিপতি হিমাংশু রায়, শান্তির বাজার মহকুমা শাসক বিশ্বশ্রী বি, দক্ষিন জেলার পুলিশ আধিকারিক এস পি মনচাক ইপার, ত্রিপুরার বিধান সভার বিধায়ক যশবীর ত্রিপুরা, জোলাই বাড়ী ব্লক আধিকারীক সুভাষ দত্ত ও অন্যান্য সন্মানীত অতিথি বৃন্দ। ১৩ এবং ১৪ অক্টোবর দুই দিন ব্যাপী চলবে এই উৎসব। এই ওয়া উৎসবে দুর দুরান্ত বিভিন্ন দোকান পাঠ ও লোকজনের সমাগমে উৎসবের প্রকৃত রূপ ধারন করেছে। ওয়া উৎসবে চক্রগুহে লোকজনের অংশগ্রহন ছিল লক্ষনীয়। উৎসবে শুধু দোকান পাঠ এমন নয় সঙ্গে রাখা হয়েছে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের স্টল। এই স্টল গুলি আমন্ত্রীত অতিথিবৃন্দরা ফিতা কেটে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। অতিথিবৃন্দরা আকাশ বাতি উত্তোলনেও অংশগ্রহন করেন। অনুষ্ঠানের মঞ্জে বিভিন্ন রকমের নৃত্য ও গান পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্র ভানুলাল সাহা জানান হারিয়ে যাওয়া লুপ্তপ্রায় বিভিন্ন সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য সারা বছর ব্যাপী রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টায় বিভিন্ন সম্প্রদারে অনুষ্ঠানকে উৎসবের রূপ দিয়ে সার্বজনিন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজ্যের কোনো কোনো জায়গায় অশান্তির চেষ্টা হয়, মানুষকে অতঙ্কিত করার চেষ্টা হয়, সরকারের সাথে মানুষ মিলে সহজে সেই অবস্থাকে স্বাভাবিক করে তুলেছে। অনুষ্ঠানে আগত অতিথি বৃন্দদের হাত দিয়ে গরীব দুস্ত লোকজনের মধ্যে কম্বল বিতরন করা হয়।