বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ মার্চ ৷৷ শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত জোলাইবাড়ী পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের পাশ্ববর্তী জায়গায় মাটি খোদাই করে বুধবার দুটি মুর্ক্তির সন্ধান পাওয়া যায়। এই মুর্ক্তি পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিলাকে বসবাসকারী লোকজনদের মনে তীব্র কৌতহলের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের ১০০ মিটার বিস্তির্ন এলাকায় খোদায় করলে আরো অনেক পরিমানে মুর্ক্তি পাওয়া যাবে। পিলাক পর্যটনকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত দুর দুরান্ত থেকে অনেক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে কিন্তু সরকারের অবহেলার কারনে এই পিলাক থেকে লোকজন মনের আনন্দ পূরন করে ফেরতে পারেনা। পিলাক পর্যটন কেন্দ্রে একটি মিউজিয়াম নেই যার ফলে পাথরের বিভিন্ন রকমের মুর্ক্তিগুলি রাখতে অসুবিধা হয় এবং দুর দুরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরা মুর্ক্তিগুলি সঠিক ভাবে দেখতে পায়না। অপরদিকে মিউজিয়াম না থাকার কারনে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ছরিয়ে থাকা মুক্তিগুলি রোদে পুরে ও বৃষ্টীতে ভিজে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী এও জানান এখন সবাই ইন্টারনেটের উপর নিরভরশীল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তথেকে নেটে পিলাক সম্পর্কে যেসকল তথ্য খুজে পাওয়া যায় তা পিলাক এসে কিছুই দেখা যায়না। যার ফলে অনেকের মনে পিলাক সভ্যতার উপর বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে। তারা এও জানান পিলাক সম্পর্কে দর্শনার্থীদের জানান দেবার মতও লোকজননেই যার ফলে অনেকে এসে পাথরের মুর্ক্তিগুলি দেখে চলে যায়। গ্রামবাসী জানান দীর্ঘ বাম আমলে রাজ্য সরকারকে জানিয়ে ও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখন নতুন রাজ্য সরকারের কাছে তাদের একটাই দাবি পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের সার্বিক উন্নয়নে যেন রাজ্য সরকার সাহায্যের হাত বারিয়ে দেন। সর্বপরি পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের সার্বিক উন্নয়ন হলে লোকজনের সমাগমে এই এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ঘটবে। পিলাক এলাকার লোকজন এখন নতুন সরকারের আশায় নতুন প্রহরের অপেক্ষায় দিন গুনছে।পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের পাশ্ববর্তী জায়গায় মাটির নিচে থেকে উদ্ধার দুটি পাথরের মূর্ক্তি
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৪ মার্চ ৷৷ শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত জোলাইবাড়ী পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের পাশ্ববর্তী জায়গায় মাটি খোদাই করে বুধবার দুটি মুর্ক্তির সন্ধান পাওয়া যায়। এই মুর্ক্তি পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পিলাকে বসবাসকারী লোকজনদের মনে তীব্র কৌতহলের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের ১০০ মিটার বিস্তির্ন এলাকায় খোদায় করলে আরো অনেক পরিমানে মুর্ক্তি পাওয়া যাবে। পিলাক পর্যটনকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত দুর দুরান্ত থেকে অনেক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে কিন্তু সরকারের অবহেলার কারনে এই পিলাক থেকে লোকজন মনের আনন্দ পূরন করে ফেরতে পারেনা। পিলাক পর্যটন কেন্দ্রে একটি মিউজিয়াম নেই যার ফলে পাথরের বিভিন্ন রকমের মুর্ক্তিগুলি রাখতে অসুবিধা হয় এবং দুর দুরান্ত থেকে আগত দর্শনার্থীরা মুর্ক্তিগুলি সঠিক ভাবে দেখতে পায়না। অপরদিকে মিউজিয়াম না থাকার কারনে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে ছরিয়ে থাকা মুক্তিগুলি রোদে পুরে ও বৃষ্টীতে ভিজে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী এও জানান এখন সবাই ইন্টারনেটের উপর নিরভরশীল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তথেকে নেটে পিলাক সম্পর্কে যেসকল তথ্য খুজে পাওয়া যায় তা পিলাক এসে কিছুই দেখা যায়না। যার ফলে অনেকের মনে পিলাক সভ্যতার উপর বিশ্বাস হারিয়ে যাচ্ছে। তারা এও জানান পিলাক সম্পর্কে দর্শনার্থীদের জানান দেবার মতও লোকজননেই যার ফলে অনেকে এসে পাথরের মুর্ক্তিগুলি দেখে চলে যায়। গ্রামবাসী জানান দীর্ঘ বাম আমলে রাজ্য সরকারকে জানিয়ে ও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখন নতুন রাজ্য সরকারের কাছে তাদের একটাই দাবি পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের সার্বিক উন্নয়নে যেন রাজ্য সরকার সাহায্যের হাত বারিয়ে দেন। সর্বপরি পিলাক পর্যটন কেন্দ্রের সার্বিক উন্নয়ন হলে লোকজনের সমাগমে এই এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ঘটবে। পিলাক এলাকার লোকজন এখন নতুন সরকারের আশায় নতুন প্রহরের অপেক্ষায় দিন গুনছে।