গোপাল সিং, খোয়াই, ১৭ জুন ৷৷ খোয়াইতে এভারগ্রীণ ক্লাব ও লায়ন্স ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে সুভাষপার্ক কালীবাড়ী প্রাঙ্গনে এক মেগা স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। যদিও অনুষ্ঠান শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেই অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর নাগাদ। উক্ত মেগা স্বাস্থ্য শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী অমিত রক্ষিত, মনোজ দাস, সুব্রত মজুমদার, অনিমেষ নাগ। অনুষ্ঠানে ৪ জন সমাজসেবীর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও নিমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা গিয়ে দাঁড়ায় ১১ জনে। উনাদের মঞ্চে আসনের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হয় উদ্যোক্তাদের। শ্যাম রাখি না কুল রাখি এই অবস্থায় সবার জন্য ব্যবস্থা করতে হয়। যার ফলে উপস্থিত জনতার মধ্যেও গুঞ্জন শুরু হয়। অনুষ্ঠানে কোন শৃঙ্খলা পরায়নতা ছিলনা বললেই চলে। আজকাল খোয়াইয়ের প্রায় অনুষ্ঠানেই এরকম দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। জনমনে এনিয়ে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়ে থাকে। এদিকে শনিবারের মেগা স্বাস্থ্য শিবিরে শিশু বিশেষজ্ঞ এবং স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সহ নানান পরিসেবা পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি সময়ের অভাবে অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেন। সব কিছুর মধ্য দিয়েও অনুষ্ঠান চালিয়ে যান কর্মকর্তারা। বিভিন্ন বক্তারাও বুঝিয়ে দেন ২৫ বছরে রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিসেবা ছিল একরকম নগন্য। বর্তমানে আর রাজ্যের বাইরে যেতে হয়না রোগীদের। বিনামূল্যে ঔষধ দেওয়া হয়। ক্লাবগুলো আজ ২৫ বছর পর দুষন মুক্ত হয়েছে। জনগণের আরও আশা আকাঙ্খা পূরণ হবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।মেগা স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত খোয়াইতে
গোপাল সিং, খোয়াই, ১৭ জুন ৷৷ খোয়াইতে এভারগ্রীণ ক্লাব ও লায়ন্স ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে সুভাষপার্ক কালীবাড়ী প্রাঙ্গনে এক মেগা স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। যদিও অনুষ্ঠান শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সেই অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর নাগাদ। উক্ত মেগা স্বাস্থ্য শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী অমিত রক্ষিত, মনোজ দাস, সুব্রত মজুমদার, অনিমেষ নাগ। অনুষ্ঠানে ৪ জন সমাজসেবীর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও নিমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা গিয়ে দাঁড়ায় ১১ জনে। উনাদের মঞ্চে আসনের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হয় উদ্যোক্তাদের। শ্যাম রাখি না কুল রাখি এই অবস্থায় সবার জন্য ব্যবস্থা করতে হয়। যার ফলে উপস্থিত জনতার মধ্যেও গুঞ্জন শুরু হয়। অনুষ্ঠানে কোন শৃঙ্খলা পরায়নতা ছিলনা বললেই চলে। আজকাল খোয়াইয়ের প্রায় অনুষ্ঠানেই এরকম দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। জনমনে এনিয়ে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়ে থাকে। এদিকে শনিবারের মেগা স্বাস্থ্য শিবিরে শিশু বিশেষজ্ঞ এবং স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সহ নানান পরিসেবা পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি সময়ের অভাবে অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেন। সব কিছুর মধ্য দিয়েও অনুষ্ঠান চালিয়ে যান কর্মকর্তারা। বিভিন্ন বক্তারাও বুঝিয়ে দেন ২৫ বছরে রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিসেবা ছিল একরকম নগন্য। বর্তমানে আর রাজ্যের বাইরে যেতে হয়না রোগীদের। বিনামূল্যে ঔষধ দেওয়া হয়। ক্লাবগুলো আজ ২৫ বছর পর দুষন মুক্ত হয়েছে। জনগণের আরও আশা আকাঙ্খা পূরণ হবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।