বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১১ মার্চ ৷৷ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবিতে রেলপথ অবরোধ করলো এলাকার লোকজন। জানা যায়, শনিবার রাতে শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত গার্দ্দাং এলাকায় রেলে কাটা পরে মৃত্যু হয়েছিল বিরধন ত্রিপুরা নামে এক ব্যাক্তির। রবিবার সকালে গ্রামের লোকজন মৃত ব্যাক্তির দেহ রেল রাস্তার পাশে পরে আছে দেখে শান্তির বাজার থানার খবর দেন। খবর পেয়ে শান্তির বাজার পুলিশের কর্মীরা গিয়ে মৃতদেহ ময়না তদন্ত করে বিরধন ত্রিপুরার মৃতদেহ উনার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই অস্বাভাবাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর রেল আধিকারিক ও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার পতিশ্রুতি না পেয়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে শান্তিরর বাজার রেল স্টেশন চত্বরে রেল রাস্তা অবরোধ করেন। যার ফলে আগরতলা থেকে আগত পেসেঞ্জার ট্রেন W D G ৪ ১২৯৩৪ নাম্বারের ইঞ্জিনটি শান্তির বাজার রেল স্টেশনে আটকে পরে। এলাকার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রেনের রাস্তার উপর শুয়ে পরেন। দীর্ঘ ১ ঘন্টা অবরোধ চলার পর শান্তির বাজারের পুলিশ গিয়ে এলাকাবাসিকে এই বিষয়ে শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের নিকট আসার জন্য আহব্বান করেন। পুলিশের এস ডি পি ও নির্দেশ দেব এর আশ্বাসে পথ অবরোধ তুলে নেন এলাকাবাসী। দীর্ঘ ১ ঘন্টা রেল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগের স্বীকার হতে হয়েছে যাত্রীদের। শান্তির বাজারের লোকজনদের দাবী এই বিষয়ে পূর্বে পুলিশ যদি সঠিক পদক্ষেপ গ্রহন করতো তাহলে আজকে রেল অবরোধ হতো না।মৃত ব্যাক্তির ক্ষতিপূরণের দাবিতে রেলপথ অবরোধে এলাকাবাসী
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১১ মার্চ ৷৷ ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবিতে রেলপথ অবরোধ করলো এলাকার লোকজন। জানা যায়, শনিবার রাতে শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত গার্দ্দাং এলাকায় রেলে কাটা পরে মৃত্যু হয়েছিল বিরধন ত্রিপুরা নামে এক ব্যাক্তির। রবিবার সকালে গ্রামের লোকজন মৃত ব্যাক্তির দেহ রেল রাস্তার পাশে পরে আছে দেখে শান্তির বাজার থানার খবর দেন। খবর পেয়ে শান্তির বাজার পুলিশের কর্মীরা গিয়ে মৃতদেহ ময়না তদন্ত করে বিরধন ত্রিপুরার মৃতদেহ উনার পরিবারের হাতে তুলে দেন। এই অস্বাভাবাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর রেল আধিকারিক ও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার পতিশ্রুতি না পেয়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে শান্তিরর বাজার রেল স্টেশন চত্বরে রেল রাস্তা অবরোধ করেন। যার ফলে আগরতলা থেকে আগত পেসেঞ্জার ট্রেন W D G ৪ ১২৯৩৪ নাম্বারের ইঞ্জিনটি শান্তির বাজার রেল স্টেশনে আটকে পরে। এলাকার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রেনের রাস্তার উপর শুয়ে পরেন। দীর্ঘ ১ ঘন্টা অবরোধ চলার পর শান্তির বাজারের পুলিশ গিয়ে এলাকাবাসিকে এই বিষয়ে শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের নিকট আসার জন্য আহব্বান করেন। পুলিশের এস ডি পি ও নির্দেশ দেব এর আশ্বাসে পথ অবরোধ তুলে নেন এলাকাবাসী। দীর্ঘ ১ ঘন্টা রেল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগের স্বীকার হতে হয়েছে যাত্রীদের। শান্তির বাজারের লোকজনদের দাবী এই বিষয়ে পূর্বে পুলিশ যদি সঠিক পদক্ষেপ গ্রহন করতো তাহলে আজকে রেল অবরোধ হতো না।