বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১২ নভেম্বর || মাটির সামগ্রী বিক্রি করে কোনো প্রকার দিন কাটাচ্ছে বেতাগা কোমড় পাড়ার লোকজনেরা। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তর্গত বেতাগা কোমড় পাড়ায় প্রায় ২০ পরিবারের লোকজন বিভিন্ন প্রকারের মাটির সামগ্রী তৈরি করে কোনোপ্রকার দিন কাটাচ্ছেন। এই এলাকার মৃৎ শিল্পীদের কাছ থেকে জানা যায়, উনারা কোনোপ্রকার সরকারি সহায়তা পাননি। সরকারি সহায়তা ছারাই নিজেদের সঞ্চিত অর্থ ব্যায় করে মাটির সামগ্রী তৈরি করছে মৃৎ শিল্পীরা। এই এলাকার মৃৎ শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উনাদের এই সামগ্রী গুলি তৈরির জন্য মাটি পর্যন্ত ক্রয় করে আনতে হয়। তারমধ্যে মাটির তৈরি সামগ্রী পোরানোর জন্য লাকড়ীর প্রয়োজন। যা বর্তমানে বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তাই সবদিকে উনারা সমস্যার সন্মুখিন হতে হচ্ছে। তাছারা মৃৎ শিল্পীরা জানান, উনাদের তৈরি মাটির সামগ্রীগুলির সঠিক মূল্য পান না। আলোর উৎসব দীপাবলীকে কেন্দ্র করে মৃৎ শিল্পীরা মাটির তৈরি প্রদীপ বানিয়েছেন, যার বাজার মূল্য ২ টাকা। উনারা জানান, এইভাবে প্রতিনিয়ত কমদামে বিক্রি করে যাচ্ছে মাটির সামগ্রী। অন্যদিকে দেখা যায় কালী পূজা শেষ হবার আগেই কার্তিক পূজা করার জন্য কার্তিকের মূর্ক্তি তৈরি করছে এই এলাকার মৃৎ শিল্পীরা। কার্তিকের মূর্ক্তি সম্পর্কে উনাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মেলাঘর থেকে শান্তির বাজারে মূর্ক্তি আনার ফলে ক্ষতির সন্মুখিন হতে হয় স্থানীয় শিল্পীরা। যার ফলে সঠিকমূল্যে বাজারে মূর্ক্তি বিক্রি করতে পারেননা বলে জানান স্থানীয় মৃৎ শিল্পীরা। উনারা জানান, বিগত দিনে লক্ষ্মী প্রতিমা বানিয়ে সঠিকভাবে বিক্রি করতে পারেননি। যার ফলে আর্থিক ক্ষতির সন্মুখিন হতে হয়েছে মৃৎ শিল্পীদের। উনাদের একটাই দাবী বর্তমান রাজ্য সরকার যেন উনাদের সহায়তার হাত বাড়ীয়ে দেন। যাতে করে উনারা উন্নতমানের প্রশিক্ষনের মধ্যদিয়ে মাটির সামগ্রী তৈরী করতে পারেন। অপরদিকে সরকারি সহয়তা করলে উনারা খুব সহজে যন্ত্রাংশের মাধ্যমে মাটির সামগ্রী তৈরি করতে পারবেন বলে জানান।
