আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ০৮ জুলাই || বেকারদের কর্মসংস্থানের অঙ্গ হিসেবে বেকারদের স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে ৬১টি অটো গাড়ীর রুট পারমিট বিতরণ করা হয়। শুক্রবার বিকেলে রাণীরবাজার গীতাঞ্জলি হল ঘরে ৬১ জন বেকারদের হাতে অটো গাড়ীর রুট পারমিট তুলে দেন রাজ্যের তথ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাণীরবাজার পুর পরিষদের চেয়াপার্সন অর্পনা শুক্লা দাস, ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীর কুমার দাস, জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রতন দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী অসিত রায়, গৌরাঙ্গ ভৌমিক, পার্থ সারথী সাহা সহ অন্যান্য বিশিষ্টব্যক্তিরা।
এদিন তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকার চাইছে, ছোট গাড়ির মাধ্যমে শহরতলি এবং তার আশপাশ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হোক। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হোক। শহরতলিতে এমন অনেক এলাকা আছে, যেখানে বাস চলে না। অথচ, ঐসব এলাকার প্রচুর মানুষ নানা কাজে প্রায়শই শহরে আসেন। নতুন করে এই সকল রুটে কিছু সংখ্যক নতুন অটো গাড়ী নামলে প্রচুর মানুষ উপকৃত হবেন। সেই সকল মানুষদের কথা মাথায় রেখে ৬১ জন বেকার ভাইকে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে ৬১টি অটো গাড়ীর রুট পারমিট বিতরণ করা হয় বলে জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, এলাকার স্থানীয় জনগণকে অন্যত্র যাতায়াতের জন্য ছোট গাড়ির উপর ভরসা করতে হয়। ফলে এই নতুন অটো চালু হলে যাতায়াতের সমস্যা মিটবে এবং আমার ৬১ জন ভাই স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
তিনি বলেন, সব বেকারের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রচেষ্টা করা উচিত। আমাদের রাজ্যে নিজ মেধা মননে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। কোন কাজই ছোট নয়। তাই আত্মনির্ভরশীল হওয়াটা বিরাট একটি অর্জন। এতে সরকারের ওপর চাপ কমবে বিপরীতে রাজ্যে বেকারত্ব কমে যাবে। শিক্ষা বড় একটি গুণ। সেটা শুধু সরকারী চাকরির ক্ষেত্রে প্রয়োগের কোনো দাবিদার নয়। শিক্ষাকে ব্যবহার করে আত্মনির্ভরশীল হতে হবে আমাদের। জনসংখ্যার সঙ্গে সমতা রেখে কর্মসংস্থান সৃষ্টি অসম্ভব। তাই আমাদের সরকার সরকারী চাকরির পাশাপাশি যে সকল বেকার ভাই-বোনেরা আত্মনির্ভর হওয়ার জন্য নিজেই কিছু করতে চায় তাঁদের পর্যাপ্ত সাহায্য করার চেষ্টা করে চলেছে বলে জানান তিনি।
