অধিক মুনাফা অর্জনের লোভে সরকারি এম্বুল্যান্স ব্যবহার করা হচ্ছে সাধারন প্যাসেঞ্জার বহন করাতে

সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ০৩ জুলাই || অধিক মুনাফা অর্জনের লোভে রোগি নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহারিত সরকারি এম্বুল্যান্স ব্যবহার করা হচ্ছে সাধারন প্যাসেঞ্জার বহন করাতে!!! যা নিয়ে রীতীমতো ছিঃ ছিঃ রব সর্বত্র!!!
উল্লেখ্য, তেলিয়ামুড়া মহুকুমা হাসপাতালে অসুস্থ রোগী নিয়ে আসা যাওয়ার জন্য ১০২ নম্বর সরকারি এম্বুল্যান্স রয়েছে। এই এম্বুল্যান্স সাধারনত জরুরিকালীন পরিস্থিতিতে অসুস্থ রোগির পরিষেবা দেওয়ার জন্যেই রাখা হয়েছে। কারন সাধারনত এম্বুল্যান্স যানবাহনটি রোগির পরিসেবা দেওয়ার জন্যই তৈরি। অন্যান্য সাধারন যাত্রীদের চলাফেরা করার জন্য অনান্য বহু যানবাহন রয়েছে। কিন্তু যখন দেখা যায় যে রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত সরকারি এম্বুল্যান্স যুগে অধিক মুনাফা অর্জনের লোভে এম্বুল্যান্সের চালক সাধারন যাত্রীদের পরিসেবা দিয়ে যাচ্ছেন তখন কিন্তু সেটা কোনোভাবেই মানা যায়না। এমনি একটি বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে একাংশ সাধারন মানুষজনের অভিযোগ ছিল যে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালের রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য থাকা ১০২ নং এম্বুল্যান্সটি তেলিয়ামুড়া থেকে আগরতলায় রোগী দিয়ে আসার পথে সাধারন যাত্রী বহন করে চলেছেন এম্বুল্যান্স ড্রাইভার। সেই অভিযোগ মোতাবেক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করলে তাদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে এমনি এক চিত্র। যেখানে দেখা যায় যে এম্বোলেন্স ড্রাইভার তেলিয়ামুড়া থেকে আগরতলায় রোগি দিয়ে আসার পথে অন্যান্য সাধারন যাত্রী বহন করে নিয়ে আসছেন অধিক মুনাফা অর্জনের লোভে। যা নিয়ে রীতিমতো ছিঃ ছিঃ রব উঠছে।
অন্যদিকে, অনেকাংশে থেকে এটাও গুঞ্জন যে রাজ্যের বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা যেখানে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নতীকরনে বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের অধীনে বিভিন্ন দিক দিয়ে অনেক কর্মীরা অধিক মুনাফা অর্জনের লোভে এইসব দূর্নীতির মধ্যে জড়িয়ে পড়ছে এবং তার খবর উঠে আসছে তাতে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের যে মুখ পুড়ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
এখন দেখার বিষয় যে, এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর এই ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করে কিনা। নাকি এইভাবেই রোগিদের পরিসেবা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত এম্বুল্যান্স দিয়ে সাধারন যাত্রীদের পরিসেবা দিয়ে অবৈধ উপায়ে অধিক মুনাফা অর্জন করে পকেট গরম করতে থাকেন এম্বুল্যান্স চালক।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*