গোপাল সিং, খোয়াই, ১১ ফেব্রুয়ারী || খোয়াইয়ে প্রায় প্রতিদিনই বিলাতি মদসহ অভিযুক্ত ধরা পড়লেও শহরের বাজারে প্রকাশ্যে বিলাতি মদ বিক্রি বন্ধ করতে পুলিশের উদ্যোগ চোখে পড়ে না বলে অভিযোগ জনসাধারণের। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, মদের কাউন্টার থেকেই অবৈধভাবে বিলাতি মদ বাইরে পাচার হচ্ছে, অথচ সেই কাউন্টারগুলির উপর পুলিশের কার্যকর নজরদারি বা নিয়মিত তল্লাশি নেই বললেই চলে।
বুধবার খোয়াই অফিসটিলা এলাকা থেকে ২৯ বোতল বিলাতি মদসহ মিলটন দেববর্মা নামে এক যুবককে আটক করে খোয়াই মহিলা থানা পুলিশ। ধৃতের বাড়ি খোয়াই থানাধীন আমতলি এলাকায়। পুলিশের এই সাফল্যের পরেও জনমনে স্বস্তির বদলে ক্ষোভই বেশি দেখা যাচ্ছে। কারণ, স্থানীয়দের মতে, মূল উৎস বা সরবরাহ চক্রের মাথারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেই যাচ্ছে।
খোয়াইবাসীর অভিযোগ, ভোরের দিকেই শহরের বিভিন্ন বিলাতি মদের কাউন্টারের সামনে মাদক কারবারীদের ভিড় চোখে পড়ে। বাইক, অটো বা টমটমে করে কাউন্টার থেকে বিলাতি মদ সংগ্রহ করে শহর ও আশপাশের এলাকায় অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়। প্রাতঃভ্রমণকারীদের চোখ এড়িয়ে যায় না এই দৃশ্য, কিন্তু অভিযোগ উঠছে—এই একই দৃশ্য যেন পুলিশের নজর এড়িয়ে যাচ্ছে।
জনগণের প্রশ্ন, যদি প্রতিনিয়ত এত বিলাতি মদ উদ্ধার হয়, তাহলে কেন সরাসরি কাউন্টারগুলিতে কড়া নজরদারি, নিয়মিত তল্লাশি ও হিসাব-নিকাশের অডিট করা হচ্ছে না? শুধু ছোটখাটো কারবারীদের ধরপাকড় করে কি আদৌ এই অবৈধ মদের চক্র ভাঙা সম্ভব? খোয়াইবাসীর দাবি, প্রকৃত চক্রের গোঁড়ায় হাত না দিলে অবৈধ বিলাতি মদের রমরমা বাণিজ্য বন্ধ হবে না।
