গোপাল সিং, খোয়াই, ১৮ মার্চ || এখন গাঁজা চাষিরা এই মরশুমে গাঁজা খেত থেকে গাঁজা ঘরে তুলছে। এবার নাকি গাঁজা চাষ ভালো হয়েছে বলে খবর এবং মজুদ রাখার জায়গা নেই। তাই বাংলাদেশ এবং আসাম পাঠানো হচ্ছে। তাছাড়া জনগণের মতে, ত্রিপুরার পুলিশের সাথে নাকি চুক্তি ১০/১। আর তাতে সংবাদ মাধ্যমও খুশি আর রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনও খুশি।
বুধবার জাতীয় সড়কে রুটিন ভেহিকেল চেকিং চলাকালীন সাফল্য পেল খোয়াই থানার পুলিশ। চেরমা এলাকায় একটি লড়ি আটক করে তার গোপন চেম্বার থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
খোয়াই থানার ওসি কৃষ্ণধন সরকার ঘটনাস্থলেই সাংবাদিকদের জানান, TR01AP-1907 নম্বরের একটি লড়িকে সন্দেহজনকভাবে থামানো হয়। পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে লড়ির ভিতরে তৈরি বিশেষ গোপন চেম্বার থেকে ৪৭ প্যাকেটে ৯৬ কেজি’র উপর গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যদিও লড়ির চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই ফ্রান্সিস হালাম এবং এসআই মদন সরকার। ত্রিপুরা পুলিশ-এর এই তৎপরতায় একটি বড় মাদক পাচারচক্রের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, বর্তমানে মরশুমে গাঁজার উৎপাদন তুলনামূলক ভালো হওয়ায় পাচারচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জায়গায় মজুদ করে তা রাজ্যের বাইরে, বিশেষ করে প্রতিবেশী রাজ্য ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পাচারের চেষ্টা চলছে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।
তবে কিছু মহলে সীমান্তপথে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচারের অভিযোগ উঠছে। যদিও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে এখনও কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
