গোপাল সিং, খোয়াই, ০৫ ফেব্রুয়ারী ৷৷ খোয়াই জেলায় শব্দ দূষন একটি সামাজিক ব্যাধির রূপ নিয়েছে। ত্রিপুরা রাজ্য দূষন নিয়ন্ত্রন পর্ষদ থেকে প্রতি বছর জনসচেতনতার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার বিজ্ঞাপন বাবদ খরচ করা হচ্ছে। যা শুধু বিজ্ঞাপনই হয়ে থাকছে। প্রায় সব রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সামাজিক সংস্থা বা ক্লাব এবং একাংশ জনগন জনসচেতনতার প্রশ্নে ত্রিপুরা রাজ্য দূষন নিয়ন্ত্রন পর্ষদের জারি করা বিজ্ঞাপন বা বার্তার কোন কিছুই মানছেন না। মাত্রারিক্ত শব্দ দূষনের পেছনে রয়েছে উচ্চস্বরে মাইক, সাউন্ড বক্স বাজানো। প্রায় প্রতিদিনই চলছে নিয়মনীতির বিরুদ্ধে এসমস্ত কাজ। খুদ সরকারী অনুষ্ঠানগুলোতেও নিয়মনীতিকে চুলোয় দিয়ে উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকা, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ইত্যাদি। খোয়াই জেলা হাসপাতাল থেকে ২০০ মিটার দূরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয় না। কিন্তু আশ্চর্য্যজনক ঘটনা হল খুদ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরাই একদম হাসপাতালের ভেতরে গাড়ীতে দুই দুইখানা মাইক লাগিয়ে অনুষ্ঠান করলেন এদিন। গত বছরও এধরনের কান্ড ঘটানো হয়েছিল এবং জাগরন পত্রিকাতেই সংবাদ প্রকাশিতও হয়েছিল। কিন্তু বছর ঘুরতেই ফের একবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তি জনগনের দৃষ্টিকটু হয়ে পড়ছে। কারন জনগন জানেন যে হাসপাতালের দু’শ মিটারের মধ্যে গাড়ীর হর্ণ থেকে শুরু করে উচ্চস্বরে কথা বলাও নিষেধ। হাসপাতালে সাইনবোর্ড রয়েছে। যেখানে স্পষ্টতই লেখা আছে নীরবতা কাম্য। কিন্তু এই অনুরোধ বা উপদেশ যে কেবল সাইনবোর্ড মাত্রই হয়ে থাকছে। তাছাড়া হাসপাতালের অভ্যন্তরে এধরনের অনুষ্ঠান দেখে প্রশ্ন উঠছে জনমনে।শব্দ দূষনে নাকাল খোয়াইবাসী, নিয়ন্ত্রন নেই দূষন নিয়ন্ত্রন পর্ষদের
গোপাল সিং, খোয়াই, ০৫ ফেব্রুয়ারী ৷৷ খোয়াই জেলায় শব্দ দূষন একটি সামাজিক ব্যাধির রূপ নিয়েছে। ত্রিপুরা রাজ্য দূষন নিয়ন্ত্রন পর্ষদ থেকে প্রতি বছর জনসচেতনতার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকার বিজ্ঞাপন বাবদ খরচ করা হচ্ছে। যা শুধু বিজ্ঞাপনই হয়ে থাকছে। প্রায় সব রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সামাজিক সংস্থা বা ক্লাব এবং একাংশ জনগন জনসচেতনতার প্রশ্নে ত্রিপুরা রাজ্য দূষন নিয়ন্ত্রন পর্ষদের জারি করা বিজ্ঞাপন বা বার্তার কোন কিছুই মানছেন না। মাত্রারিক্ত শব্দ দূষনের পেছনে রয়েছে উচ্চস্বরে মাইক, সাউন্ড বক্স বাজানো। প্রায় প্রতিদিনই চলছে নিয়মনীতির বিরুদ্ধে এসমস্ত কাজ। খুদ সরকারী অনুষ্ঠানগুলোতেও নিয়মনীতিকে চুলোয় দিয়ে উচ্চস্বরে মাইক বাজানো হচ্ছে। বিশেষ করে জনবহুল এলাকা, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল ইত্যাদি। খোয়াই জেলা হাসপাতাল থেকে ২০০ মিটার দূরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয় না। কিন্তু আশ্চর্য্যজনক ঘটনা হল খুদ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরাই একদম হাসপাতালের ভেতরে গাড়ীতে দুই দুইখানা মাইক লাগিয়ে অনুষ্ঠান করলেন এদিন। গত বছরও এধরনের কান্ড ঘটানো হয়েছিল এবং জাগরন পত্রিকাতেই সংবাদ প্রকাশিতও হয়েছিল। কিন্তু বছর ঘুরতেই ফের একবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তি জনগনের দৃষ্টিকটু হয়ে পড়ছে। কারন জনগন জানেন যে হাসপাতালের দু’শ মিটারের মধ্যে গাড়ীর হর্ণ থেকে শুরু করে উচ্চস্বরে কথা বলাও নিষেধ। হাসপাতালে সাইনবোর্ড রয়েছে। যেখানে স্পষ্টতই লেখা আছে নীরবতা কাম্য। কিন্তু এই অনুরোধ বা উপদেশ যে কেবল সাইনবোর্ড মাত্রই হয়ে থাকছে। তাছাড়া হাসপাতালের অভ্যন্তরে এধরনের অনুষ্ঠান দেখে প্রশ্ন উঠছে জনমনে।