বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৯ মার্চ ৷৷ শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত লাউগাং বাজারে প্রতি মঙ্গলবার বাজার হাট বসেন। এই বাজারে বিক্রেতারা গরু, ছাগল, হাঁস, মুরোগ বিক্রির জন্য নিয়ে আসে। বিক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে হাসিলের নির্ধারিত গরু প্রতি ১০ টাকা মূল্য ধার্য করা থাকলেও বাজারে গরু বিক্রি করতে এলে হাসিলকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় বিক্রেতাদের। আবার বিক্রেতাদের ঠিকমতো রসিদও প্রদান করছেনা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, শান্তিরবাজার পুলিস প্রশাসন প্রতি মঙ্গলবার টাকা আদায়ের জন্য লাউগাং বাজারে অস্থায়ী ভাবে চেয়ার টেবিল পেতে বসেন। গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি গরুর গাড়ি পিছু দু’হাজার টাকা দিতে হয়। অথচ এই সমস্ত ঘটনার বিবরণ লাউগাং পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হলে পঞ্চায়েত প্রধান কিছু জানেননা বলে জানান।লাউগাং পঞ্চায়েতের নাকের ডগায় চলছে অবৈধ কাজ, প্রশাসন নীরব দর্শক
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৯ মার্চ ৷৷ শান্তিরবাজার মহকুমার অন্তর্গত লাউগাং বাজারে প্রতি মঙ্গলবার বাজার হাট বসেন। এই বাজারে বিক্রেতারা গরু, ছাগল, হাঁস, মুরোগ বিক্রির জন্য নিয়ে আসে। বিক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে হাসিলের নির্ধারিত গরু প্রতি ১০ টাকা মূল্য ধার্য করা থাকলেও বাজারে গরু বিক্রি করতে এলে হাসিলকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় বিক্রেতাদের। আবার বিক্রেতাদের ঠিকমতো রসিদও প্রদান করছেনা। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, শান্তিরবাজার পুলিস প্রশাসন প্রতি মঙ্গলবার টাকা আদায়ের জন্য লাউগাং বাজারে অস্থায়ী ভাবে চেয়ার টেবিল পেতে বসেন। গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি গরুর গাড়ি পিছু দু’হাজার টাকা দিতে হয়। অথচ এই সমস্ত ঘটনার বিবরণ লাউগাং পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হলে পঞ্চায়েত প্রধান কিছু জানেননা বলে জানান।