আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ ডিসেম্বর ৷৷ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাথে ভারতের বিশেষ করে ত্রিপুরার মানুষের যে একাত্মতা ও সহমর্মিতা তা এখনো আমাদের অনুভবে ছুঁয়ে আছে। ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যানের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের সূচনা করে একথা বলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। মানুষের মনে মুক্তি যুদ্ধের স্মৃতিকে জাগিয়ে রাখতে শনিবার দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার চোত্তাখলায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যানের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বনমন্ত্রী নরেশ জমাতিয়া, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাদল চৌধুরী, সাংসদ শংকর প্রসাদ দত্ত, বিধায়ক বাসুদেব মজুমদার, বিধায়ক সুধন দাস, বন দপ্তরের পি সি সি এফ ডঃ এ কে গুপ্তা, দক্ষিন জেলার জেলা শাসক সি কে জমাতিয়া, দক্ষিন ত্রিপুরা জেলার জিলা পরিষদের সভাধিপতি হিমাংশু রায়, রাজনগর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান রত্না দাস, বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের হাইকমিশনার মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন প্রমুখ।উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমনি ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যানের ভিত্তিপস্তর স্থাপন করেন। আগামী ১৮ ডিসেম্বর থেকে এই মৈত্রী উদ্যান পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
