গোপাল সিং, খোয়াই, ০৩ এপ্রিল ৷৷ ‘সামাজিক উৎকর্ষতা যদি চাই তবে আর্থিক উৎসকর্ষতাও দরকার। আর এই উৎসকর্ষতাকে পেতে গেলে বিভাজন ছাড়তে হবে।’ খোয়াই শহরের প্রাণকেন্দ্র সুভাষপার্ক বাজারের বইমেলার মাঠে চৈত্র মেলা-২০১৮’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই বললেন বিশিষ্ট সমাজসেবী অমিত রক্ষিত। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হল খোয়াইয়ের চৈত্র মেলা। খোয়াই পুর পরিষদের উদ্যোগে চৈত্র মেলা-২০১৮’র শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী অমিত রক্ষিত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন পুর পরিষদের এক্সিকিউটিভ অফিসার অভিজিৎ রিয়াং, সমাজসেবী মনোজ দাস, সুব্রত মজুমদার, প্রবীন ব্যবসায়ী মিহিরলাল চৌধূরী সহ অন্যান্যরা। স্থানীয় শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্য পরিবেশন করে অনুষ্ঠানকে নন্দিত করে তোলে। ফিতা কেটে বিভিন্ন স্টলের উদ্বোধন করেন সমাজসেবী অমিত রক্ষিত। তিনি আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, সারা রাজ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে রাজনৈতিক, আর্থ সামাজিক বা মানসিকতার পরিবর্তনের নিরিখে খোয়াইতেও পালাবদলের মধ্য দিয়ে চলছে। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সময় সময় রাজনৈতিক পালাবদল হয়। কিন্তু সমাজ সেই জায়গায় থেকে যায়। এই চৈত্র মেলায় যারা ক্রেতা-বিক্রেতারা আসবেন তারা কেউ একে অপরকে রাজনীতির নিরীখে কেনা-কাটা করবেন না বা করেন না। আমরা যখন অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হতে চাই তখন আমাদের মাথায় এই বিভাজনগুলি আসেনা। যেকোন ক্ষেত্রেই এই বিভাজন রাখা সঠিক নয়। পাশাপাশি তিনি বলেন, চৈত্র মেলাও একটি উৎসব। মেলার মাধ্যমে জনসংযোগ বেড়ে যায়। তাই ভাল সমাজ এবং পরিবেশ গড়ার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বাংলা শুভ নববর্ষে নতুন দিগন্ত আনাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উদ্বোধনী ভাষন শেষে মেলার স্টলগুলি পরিদর্শন করেন উপস্থিতি অতিথিরা।উৎসাহ উদ্দীপনায় খোয়াইয়ে চৈত্র মেলার সূচনা
গোপাল সিং, খোয়াই, ০৩ এপ্রিল ৷৷ ‘সামাজিক উৎকর্ষতা যদি চাই তবে আর্থিক উৎসকর্ষতাও দরকার। আর এই উৎসকর্ষতাকে পেতে গেলে বিভাজন ছাড়তে হবে।’ খোয়াই শহরের প্রাণকেন্দ্র সুভাষপার্ক বাজারের বইমেলার মাঠে চৈত্র মেলা-২০১৮’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমনটাই বললেন বিশিষ্ট সমাজসেবী অমিত রক্ষিত। ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার থেকেই শুরু হল খোয়াইয়ের চৈত্র মেলা। খোয়াই পুর পরিষদের উদ্যোগে চৈত্র মেলা-২০১৮’র শুভ উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী অমিত রক্ষিত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন পুর পরিষদের এক্সিকিউটিভ অফিসার অভিজিৎ রিয়াং, সমাজসেবী মনোজ দাস, সুব্রত মজুমদার, প্রবীন ব্যবসায়ী মিহিরলাল চৌধূরী সহ অন্যান্যরা। স্থানীয় শিল্পীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৃত্য পরিবেশন করে অনুষ্ঠানকে নন্দিত করে তোলে। ফিতা কেটে বিভিন্ন স্টলের উদ্বোধন করেন সমাজসেবী অমিত রক্ষিত। তিনি আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, সারা রাজ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে রাজনৈতিক, আর্থ সামাজিক বা মানসিকতার পরিবর্তনের নিরিখে খোয়াইতেও পালাবদলের মধ্য দিয়ে চলছে। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সময় সময় রাজনৈতিক পালাবদল হয়। কিন্তু সমাজ সেই জায়গায় থেকে যায়। এই চৈত্র মেলায় যারা ক্রেতা-বিক্রেতারা আসবেন তারা কেউ একে অপরকে রাজনীতির নিরীখে কেনা-কাটা করবেন না বা করেন না। আমরা যখন অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হতে চাই তখন আমাদের মাথায় এই বিভাজনগুলি আসেনা। যেকোন ক্ষেত্রেই এই বিভাজন রাখা সঠিক নয়। পাশাপাশি তিনি বলেন, চৈত্র মেলাও একটি উৎসব। মেলার মাধ্যমে জনসংযোগ বেড়ে যায়। তাই ভাল সমাজ এবং পরিবেশ গড়ার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বাংলা শুভ নববর্ষে নতুন দিগন্ত আনাই সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও উদ্বোধনী ভাষন শেষে মেলার স্টলগুলি পরিদর্শন করেন উপস্থিতি অতিথিরা।