গোপাল সিং, খোয়াই, ০৯ আগষ্ট ৷৷ ২৭ বছরের জীবনে বহুদিন জঙ্গল থেকে লাকড়ি সংগ্রহ করে পড়াশুনার খরচ চালিয়েছেন। কিন্তু চাকরি পাবার পর আবার সেই আগের পথেই চলতে হবে তা কোনো দিনই ভাবেননি। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। লঘু দোষে গুরু দন্ড পেয়ে এক চুক্তবদ্ধ সরকারী কর্মী আজ লাকড়ি বিক্রেতা। চাকুরি পেয়ে খুব ভালো চলছিল। হঠাত চাকুরি জীবনে একদিন ৩০ মিনিট বিলম্ব হওয়ায় বরখাস্ত হতে হল তাকে। ঘটনা খোয়াই মহকুমার পদ্মবিল ব্লক এলাকার বেলছরা গ্রামে। গ্রামের পঞ্চান্ন দেববর্মার একমাত্র ছেলে নির্মল দেববর্মা খোয়াই জেলার স্বাস্থ্য দপ্তরে ম্যালেরিয়া বিভাগে চাকুরি করতেন। মুঙ্গিয়াকামিতে ছিল তার পোস্টিং।জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল ছিল বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস। খোয়াই জেলার মূল অনুষ্ঠানটি হয় মুঙ্গিয়াকামিতে। নির্মল দেববর্মার বাবা অসুস্থ থাকায় ঐদিন সে ৩০ মিনিট দেড়িতে চাকুরিস্থলে যাওয়ায় তৎকালীন খোয়াই জেলা শাসক ডঃ সন্দীপ এন মহাত্মে রেগে গিয়ে তাকে শো কজ নোটিস দেন। ২৭ এপ্রিল নির্মল দপ্তরকে শো কজ নোটিশের জবাব দেয় যে তার বাবা অসুস্থ ছিল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল ২৫ এপ্রিল শো কজ নোটিশ দিয়েও আবার সেই দিনই তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করেন জেলা শাসক। চুক্তিবদ্ধ চাকুরির ক্ষেত্রে প্রত্যেককেই এক মাসের সময় দেওয়া হয়, যা নির্মলের ক্ষেত্রে হল না।
এখন চাকুরি খুয়িয়ে প্রতিদিন জঙ্গল থেকে লাকড়ি কুড়িয়ে সেই লাকড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতে হচ্ছে নির্মল দেববর্মার। পরিবারের প্রত্যেকের চোখেই বিশাদের সুর।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সরকারী চাকুরি হাড়িয়ে এখন লাকড়ি বিক্রেতা
গোপাল সিং, খোয়াই, ০৯ আগষ্ট ৷৷ ২৭ বছরের জীবনে বহুদিন জঙ্গল থেকে লাকড়ি সংগ্রহ করে পড়াশুনার খরচ চালিয়েছেন। কিন্তু চাকরি পাবার পর আবার সেই আগের পথেই চলতে হবে তা কোনো দিনই ভাবেননি। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। লঘু দোষে গুরু দন্ড পেয়ে এক চুক্তবদ্ধ সরকারী কর্মী আজ লাকড়ি বিক্রেতা। চাকুরি পেয়ে খুব ভালো চলছিল। হঠাত চাকুরি জীবনে একদিন ৩০ মিনিট বিলম্ব হওয়ায় বরখাস্ত হতে হল তাকে। ঘটনা খোয়াই মহকুমার পদ্মবিল ব্লক এলাকার বেলছরা গ্রামে। গ্রামের পঞ্চান্ন দেববর্মার একমাত্র ছেলে নির্মল দেববর্মা খোয়াই জেলার স্বাস্থ্য দপ্তরে ম্যালেরিয়া বিভাগে চাকুরি করতেন। মুঙ্গিয়াকামিতে ছিল তার পোস্টিং।
জানা যায়, গত ২৫ এপ্রিল ছিল বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস। খোয়াই জেলার মূল অনুষ্ঠানটি হয় মুঙ্গিয়াকামিতে। নির্মল দেববর্মার বাবা অসুস্থ থাকায় ঐদিন সে ৩০ মিনিট দেড়িতে চাকুরিস্থলে যাওয়ায় তৎকালীন খোয়াই জেলা শাসক ডঃ সন্দীপ এন মহাত্মে রেগে গিয়ে তাকে শো কজ নোটিস দেন। ২৭ এপ্রিল নির্মল দপ্তরকে শো কজ নোটিশের জবাব দেয় যে তার বাবা অসুস্থ ছিল। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল ২৫ এপ্রিল শো কজ নোটিশ দিয়েও আবার সেই দিনই তাকে চাকুরি থেকে বরখাস্ত করেন জেলা শাসক। চুক্তিবদ্ধ চাকুরির ক্ষেত্রে প্রত্যেককেই এক মাসের সময় দেওয়া হয়, যা নির্মলের ক্ষেত্রে হল না।
এখন চাকুরি খুয়িয়ে প্রতিদিন জঙ্গল থেকে লাকড়ি কুড়িয়ে সেই লাকড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতে হচ্ছে নির্মল দেববর্মার। পরিবারের প্রত্যেকের চোখেই বিশাদের সুর।
