আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ মার্চ ৷৷ গোটা দেশ থেকে পোলিও নির্মূল করতে প্রতিবছর গোটা দেশে শূন্য থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশুদের পোলিও প্রতিষেধক দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৭৮ সালে পোলিও মুক্ত দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মসূচী চালু করে। ১৯৯৫ সালে ত্রিপুরাতে এই কর্মসূচী প্রথম চালু হয়। রবিবার দেশ জুড়ে পোলিওর প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশুদের। সারা রাজ্যের সাথে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায়ও রবিবার শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সি ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৭৯ জন শিশুকে পালস পোলিও প্রতিষেধক দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গোটা রাজ্যে ৩ হাজার ৮৪৩টি বুথ খোলা হয়েছে। বুথগুলিতে শিশুদের নিয়ে মায়েদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। যাদের পোলিওর প্রতিষেধক রবিবার দেওয়া যায়নি সেইসব শিশুদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে পোলিওর প্রতিষেধক দেওয়া হবে সোমবার এবং মঙ্গলবার বলে জানা যায়। এদিন পশ্চিম ত্রিপুরা ভিত্তিক মূল অনুষ্ঠানটি হয় রাজধানীর বনকুমারীস্থিত সমর স্মৃতি মিলনায়তনে। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের প্রধান সচিব সমরজিৎ ভৌমিক।৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৭৯ জন শিশুকে পোলিও প্রতিষেধক দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাজ্যে
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ মার্চ ৷৷ গোটা দেশ থেকে পোলিও নির্মূল করতে প্রতিবছর গোটা দেশে শূন্য থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশুদের পোলিও প্রতিষেধক দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৭৮ সালে পোলিও মুক্ত দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মসূচী চালু করে। ১৯৯৫ সালে ত্রিপুরাতে এই কর্মসূচী প্রথম চালু হয়। রবিবার দেশ জুড়ে পোলিওর প্রতিষেধক দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশুদের। সারা রাজ্যের সাথে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায়ও রবিবার শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সি ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৭৯ জন শিশুকে পালস পোলিও প্রতিষেধক দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গোটা রাজ্যে ৩ হাজার ৮৪৩টি বুথ খোলা হয়েছে। বুথগুলিতে শিশুদের নিয়ে মায়েদের ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। যাদের পোলিওর প্রতিষেধক রবিবার দেওয়া যায়নি সেইসব শিশুদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে পোলিওর প্রতিষেধক দেওয়া হবে সোমবার এবং মঙ্গলবার বলে জানা যায়। এদিন পশ্চিম ত্রিপুরা ভিত্তিক মূল অনুষ্ঠানটি হয় রাজধানীর বনকুমারীস্থিত সমর স্মৃতি মিলনায়তনে। অনুষ্ঠানের সূচনা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের প্রধান সচিব সমরজিৎ ভৌমিক।