সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ০৮ আগষ্ট ৷। কোনও এক সময় মহকুমাজুরে চিকিৎসা ব্যবস্থার একমাত্র ভরসা ছিল তেলিয়ামুড়া গ্রামীণ হাসপাতাল। যুগের প্রয়োজনে, মানুষের দাবীতে ততকালিন সরকার তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতাল তৈরী করে শহর লাগুয়া ব্লক চৌমুহনীতে। ফলে তেলিয়ামুড়া গ্রামীণ হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতালে রূপান্তর হয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ায় ওই গ্রামীণ হাসপাতালটি এখন ভগ্নদশায় জঙ্গলে জরাজীর্ণ। এককথায় ড্রাগস ব্যবসায়ী ও ড্রাগস সেবনকারীদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়ে আছে। প্রতিদিন উঠতি বয়সী যুবকরা এই জরাজীর্ণ প্রাক্তন হাসপাতালে প্রবেশ করে অবৈধ কাজে লিপ্ত হতে দেখাযায়। জানা যায়, তেলিয়ামুড়া পুলিশের চোখে একপ্রকার ধুলো দিয়ে বর্তমানে করোনা প্রকোপ কালেও চাকমাঘাট, তুইসিন্দ্রাই, বান্দর চৌমুহনী, প্রাক্তন হাসপাতাল চত্বর সহ মহাকুমার বিভিন্ন স্থান সহ পুরাতন হাসপাতালটিকেও ড্রাগস মাফিয়ারা ও ড্রাগস সেবনকারীরা আস্তানা গেড়ে বসে আছে। সেই সাথে চলছে অবৈধ কার্যকলাপ। আর পুলিশ নামকে বাস্তে হানা দিয়ে এক দুই জনকে পাকরাও করেই দায়িত্ব খালাস।এ থেকে কি বুঝা যায়, পুলিশ কি তাহলে মামলা নিতে অনীহা প্রকাশ করছে? প্রশ্ন শুভবুদ্ধি মহলের। তা না হলে লকডাউন ও আনলকডাউন চলাকালে কো কিভাবে ওই সকল ড্রাগস মাফিয়ারা মাথার চাড়া দিয়ে উঠতে সাহস পাচ্ছে। যার থেকে বাদ যাচ্ছেনা তেলিয়ামুড়া শহরের উপকণ্ঠে প্রাক্তন হাসপাতালটি, যদিও এই ভগ্নদশা প্রাক্তন হাসপাতালে ব্যাপারে বর্তমান পৌর পিতা নিতীশ সাহা জানান, ১৫তম অর্থ কমিশনের টাকা মঞ্জুর হলে ওই প্রাক্তন হাসপাতালটিকে ভেঙ্গে নতুন করে এখানে একটি নার্সিং কলেজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ নিয়ে রাজ্য সরকারের সাথে কথাও হয়েছে। যদি এমনটা হয়ে যায় তাহলে শহরের উপর থেকে অর্থাৎ ওই প্রাক্তন হাসপাতালে কিছুটা হলেও ড্রাগস সেবনকারী ও মাফিয়াদের উৎপাত কমবে বলে মনে করি।
