বিশ্বেশর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২১ জানুয়ারি || তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্দ্যোগে পশ্চিম পিলাক দ্বাদশ শ্রেনী বিদ্যালয় মাঠে তিনদিন ব্যাপী ঐতিয্যবাহী পিলাক প্রত্ন পর্যটন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে সকলকে আমন্ত্রন জানালেও শান্তিরবাজার প্রেস ক্লাবে কোনো প্রকার আমন্ত্রন জানাননো হয়নি। এই বিষয়ে সংবাদপ্রকাশের পর নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিতে মেলার দ্বিতীয় দিন শান্তিরবাজার প্রেস ক্লাবের জন্য একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়। সংবাদমাধ্যমকে ছারা অনুষ্ঠান করে দপ্তর অনেক প্রকারের ভূয়াবিল করে নিজেদের পকেট ভারি করতে পারবে এই নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনার সত্যতা খুঁজে পাওয়া গেলো।
শনিবার মেলার দ্বিতীয় দিনেও শান্তিরবাজার মহকুমার কোনো সাংবাদিক মেলায় উপস্থিত থাকেননি। এরই মধ্যে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা দেখতে না পেয়ে সরকারি অর্থে সরকারি মঞ্চ ব্যবহার করে জন্মদিনের অনুষ্ঠান পালন করলো শান্তিরবাজার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কর্মীরা। বিগত বছরে রাজ্য ও বহিঃ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিল্পীদের নিয়ে এসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হতো। তখন দেখা যেতো সময়ের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকারীদের সময় বেধে দেওয়া হতো। লোকজনেরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠতেন। এইবছর তার বেতিক্রমী চিত্র লক্ষ্য করা যায়। এখন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তেরের উদ্দ্যোগে কেক কিনে এনে জন্মদিনের আসর বানানো হচ্ছে। এই নিয়ে লোকজনেরা নানান প্রশ্ন করতে শুরু করেছে। কিভাবে সরকারি মঞ্চে এইধরনের ব্যাক্তিগত অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে। সরকারি অর্থের আদ্যশ্রাদ্ধ করে এইধরনের অনুষ্ঠান করাতে মেলায় আগত লোকজনেরা অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে। জানা যায়, শান্তিরবাজার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কর্মী মনোরঞ্জন দাস ও জেলার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক রিপন চাকমার যৌথ প্রয়াসে সরকারি মঞ্চে জন্মদিনের অনুষ্ঠান করা হয়।
