সদ্যজাত শিশুর মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গেলেন মন্ত্রী

বিশ্বেশর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২১ জানুয়ারি || সদ্যজাত শিশুর মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে ছুটে গেলেন মন্ত্রী ও বিধায়ক। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সাব্রুম মহকুমার মাইরা এলাকার বাসিন্দা রাকেশ ত্রিপুরার সহধর্মীনি জুলি ত্রিপুরা (২১), কলাছরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি ছোট্ট ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। সেখানে জুলি ত্রিপুরার শারিরিক অবস্থার অবনতি দেখে শুক্রবার কর্তব্যরত চিকিৎসক জুলি ত্রিপুরাকে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে রেফার করে। জানা যায়, জুলি ত্রিপুরার হিমোগ্লোবিন কম হওয়াতে জুলি ত্রিপুরাকে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালে রক্ত দান করা হয়। পরবর্তীসময় জুলি ত্রিপুরা কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠে। পরবর্তী কিছু সময় পর পুনরায় শারিরিক অবস্থার অবনতির জন্য মৃত্যুর মুখে ঢলে পরলো সদ্যজাত শিশুর মা। সদ্যজাত শিশুর মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলা হাসপাতালে ছুটে যায় জোলাইবাড়ী বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া ও শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং। রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠে আসে চিকিৎসার গাফিলতীর জন্য সদ্যজাত শিশুর মায়ের মৃত্যু হয়। এই খবরের সত্যতা জাচাই করতে ও মন্ত্রী বিধায়কের জেলা হাসপাতালে আগমনের সংবাদ সংগ্রহ করতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় শান্তিরবাজারের কর্তব্যরত সাংবাদিকরা। কিন্তু জেলা হাসপাতালে গেলে সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে বাধাদান করে শান্তিরবাজার থানার কর্তব্যরত এস আই সুজিত সরকার। সুজিত বাবু শান্তিরবাজার থানায় প্রফেশনাল প্রিয়ড শেষ করেছেন। সদ্য প্রফেশনাল প্রিয়ড শেষ করে তিনি আইন বিশারদ হয়ে সংবাদমাধ্যমকে সংবাদ সংগ্রহে বাধাদান করে। মূল উদ্দ্যেশ্য মন্ত্রী ও বিধায়কের পরিদর্শন সম্পর্কে লোকজনেরা যেন না জানতে পারে। মন্ত্রী বিধায়ক জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা উন্নয়নে ও মৃত রোগির আত্মীয় পরিজনদের সমবেদনা জানানোর কথা ও ছবি যেন প্রকাশ্যে না আসে তারই প্রয়াস চালিয়ে গেছেন সুজিত সরকার। মন্ত্রী ও বিধায়ক মৃত রোগির আত্মীয় পরিজনদের সঙ্গে দেখা করে ও জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানান, কোনো মৃত্যুই কাম্য নয় কিন্তু বিধাতার বিধান কেউ পাল্টাতে পারবেনা। মন্ত্রী জানান, রাজ্যে বিজেপি ও আই পি এফ টি’র সরকার আসার পর সমস্ত জেলায় চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যার মধ্যে শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবারও উন্নয়ন হয়েছে। মন্ত্রী জানান, আজকের সদ্যজাত শিশুর মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সদ্যজাত শিশুর মা রক্ত সল্পতায় ভূগছিলো। অপরদিকে রক্ত ক্ষরন বন্ধ না হোওয়াতে শারিরিক অসুস্থতার জন্য সদ্যজাত শিশুর মায়ের মৃত্যু হয়েছে। মন্ত্রী ও বিধায়ক পরিবারের লোকজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন ও পরিবারের লোকজনদের সমবেদনা জানিয়েছেন।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*