দেবজিত চক্রবর্তী, আগরতলা, ২৫ জুলাই ।। অনেকেই বলেন চৌদ্দ দেবতা না টানলে শত চেষ্টাতেও দর্শন সম্ভব হয়না। ভক্তের ভীড়ে চৌদ্দ দেবতার মন্দিরের দৃশ্যে বলাই বাহুল্য ভগবানের টানে চৌদ্দ ঠাকুরের একেবারেই কার্পণ্য নেই। ধনাঢ্য থেকে ক্লিষ্ট ভক্তের সমাগমে খারচী সব সীমারেখার বাইরে।
চৌদ্দ দেবতার মন্দিরের বাইরে “নিউজ আপডেট অব ত্রিপুরা”-র প্রতিনিধির কথা হয়েছে ভক্তপ্রান মানুষদের সঙ্গে। রাজ্যের নানা প্রান্তের ভক্ত সমাগমে আসা মহিলা বললেন প্রতিবছরেই চৌদ্দ দেবতা মন্দিরে আসেন। পরিবার, সন্তান সন্ততিদের জন্য সুখ শান্তির কামনা করে থাকেন। মন্দির প্রাঙ্গনে যাদের সাথেই কথা বলেছেন “নিউজ আপডেট অব ত্রিপুরা”-র প্রতিনিধি প্রত্যেকেই বলেছেন মেলা আর মানুষের যোগাযোগ চিরকালের।
খারচি মেলা অনেকের কাছেই বাড়তি রোজগারের সুযোগ করে দেয়
মেলা প্রাঙ্গনে ভোগের সামগ্রী নয়ে বসা ব্যবসায়ী আর কে নগরের কমল দাশের পেশা মূলত কৃষি – বললেন চৌদ্দ দেবতা বাড়ীর মেলার জন্য বহু আগেই শুরু হয় প্রস্তুতি, ৭দিন কখনো কখনো মেলাতেই দিন কাটে, বলেছেন গত বছরে ব্যবসা ভালোই হয়েছিল। এবারেও সেই প্রত্যাশাতেই রয়েছেন। স্টেসনারী থেকে পেঁড়ার দোকানের মালিক প্রত্যেকেই বলেছেন চৌদ্দ দেবতার আশীর্বাদেই ব্যবসা বিগত বছরেও মন্দ হয়নি – আবারেও একই আশায় চৌদ্দ দেবতা মুখ তুলে চাইবেন।
নেই ঘর, নেই সংসার – যেখানেই মেলা সেখানেই আখরা বানিয়ে কয়েক দিন
খারচি উৎসব শুধু নয়, কামাখ্যা থেকে উদয়পুরের ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে দীপাবলী উৎসব – সব পর্বেই লম্বা চুল, লম্বা দাড়ি, পরনে লাল থানের কাপড়, হাতে শিঙা সঙ্গে কমন্ডুলু নিয়ে হাজির থাকে যাযাবরের সন্যাসীর দল। অনেকেই সেখানে প্রনামী দিয়ে থাকেন – হাত দেখে ভাগ্য বাতলে দেন যাযাবর সন্যাসী।
