গোপাল সিং, খোয়াই, ০৩ আগস্ট || দলের মধ্যে ব্রাত্য থেকেই কি তবে রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিলেন পূর্ব ত্রিপুরা আসনের প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা? দলীয় কোনো পদ না পেয়েই কি তাঁর এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত? বর্তমানে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে চলছে প্রচণ্ড কৌতূহল ও জোর চর্চা। এই সমস্ত জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই রাজনৈতিক জীবনকে পুরোপুরি ‘আলবিদা’ জানিয়ে নিজের পুরনো “শিক্ষকতা”র পেশায় ফিরে গেলেন রাজ্যের প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা।
তিনি যোগ দিয়েছেন তাঁর পূর্বের কর্মস্থল আগরতলার মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। সেখানে স্নাতকোত্তর শিক্ষক (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) হিসেবে তিনি পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। রেবতী ত্রিপুরার এই শিক্ষকতার জীবনে প্রত্যাবর্তনকে স্কুলটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে স্বাগত ও প্রশংসা জানানো হয়েছে। অনেকেই এটিকে রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষা ও সুস্থ সমাজ গঠনে অবদান রাখার এক অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। তবে এই প্রশংসার আড়ালে রাজনৈতিক প্রশ্নটি কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। সম্প্রতি দলীয় স্তরে রাজ্য এবং জেলা স্তরের একাধিক নতুন সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হলেও, সেখানে রেবতী ত্রিপুরার নাম কোনো পদেই রাখা হয়নি। ফলে জনমনে ও রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই বড় প্রশ্ন উঠছে—তাহলে কি দলের অন্দরে কোণঠাসা ও ব্রাত্য হয়ে পড়ার কারণেই ক্ষোভে ও অভিমানে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিলেন প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা?
