আন্তর্জাতিক ডেস্ক ৷৷ ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার পশ্চিমে অবস্থিত একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৪৩ জন। চীনের বার্তা সংস্থা শিনহুয়া এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার তানগেরাং এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ঘটনাস্থলে এখনও অন্তত ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে তানগেরাং’এর পুলিশ প্রধান হ্যারি কুরনিওয়ান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, কারখানার অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর আহতদের স্থানীয় ৩টি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় কমপাস টিভিকে পুলিশ জানায়, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানাটিতে শতাধিক কর্মী কাজ করছিল। এদিকে স্থানীয় সরকার দাবি করেছে, বিস্ফোরণের মাত্র ৬ সপ্তাহ আগে কারখানাটি পণ্য উৎপাদন শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভেতরে এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। তবে নিহতদের শরীর এতটাই পুড়ে গেছে যে ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া শনাক্ত করা সম্ভব নয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের একাংশ ধসে পড়ে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি ডেইলি মেইল। স্থানীয় মেট্রো টিভিতে প্রচারিত ভিডিওতে এখনও তানগেরাং এলাকার কারখানা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে।ইন্দোনেশিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ৷৷ ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার পশ্চিমে অবস্থিত একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৪৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৪৩ জন। চীনের বার্তা সংস্থা শিনহুয়া এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার তানগেরাং এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ঘটনাস্থলে এখনও অন্তত ১০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে তানগেরাং’এর পুলিশ প্রধান হ্যারি কুরনিওয়ান সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, কারখানার অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর আহতদের স্থানীয় ৩টি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় কমপাস টিভিকে পুলিশ জানায়, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানাটিতে শতাধিক কর্মী কাজ করছিল। এদিকে স্থানীয় সরকার দাবি করেছে, বিস্ফোরণের মাত্র ৬ সপ্তাহ আগে কারখানাটি পণ্য উৎপাদন শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভেতরে এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। তবে নিহতদের শরীর এতটাই পুড়ে গেছে যে ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া শনাক্ত করা সম্ভব নয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের একাংশ ধসে পড়ে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি ডেইলি মেইল। স্থানীয় মেট্রো টিভিতে প্রচারিত ভিডিওতে এখনও তানগেরাং এলাকার কারখানা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে।