আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ মে ৷৷ ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গিয়ে রীতিমত অপমানিত হয়ে এলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান চলার পর অন্তিম দিকেই তাল কাটে। ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডুর উপস্থিতিতেই বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান মঞ্চে ভাষন দিতে গিয়ে অপমানিত হলেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। এদিন প্রধান অতিথি হিসাবে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু ভাষন রাখার পর ভাষন রাখার জন্য আহ্বান করা হয় রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীকে। তিনি ভাষন শুরু করার এক মিনিট পরেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক জনৈক এক শিক্ষক ভাষন সংক্ষিপ্ত করার জন্য কাগজে লিখে উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর হাতে এনে দেয়। এতে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। মুহূর্তের মধ্যেই ভাষন সমাপ্ত করে মঞ্চ ছেড়ে নেমে আসেন তিনি। মন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মঞ্চতে বসবোনা বলার পরেও আমাকে কেন মঞ্চে ডেকে নিয়ে গিয়ে বসানো হলো। তিনি বলেন, একজন প্রধান অতিথির ভাষণের পর কিভাবে আরেকজনের ভাষন থাকে। কেন উপ-রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর তাকে ভাষন দিতে ডাকা হলো। তারপর আবার ভাষন তাড়াতাড়ি শেষ করার কথা বলে। এতে তিনি প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হন। উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বিদ্যালয়ে বহু দিন ধরে একটা দুষ্ট চক্র কাজ করে আসছে। শিক্ষা ক্ষেএে কেলেঙ্কারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রোজকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর শেষ দেখে ছাড়বেন বলে বেড়িয়ে আসেন তিনি। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় সর্বত্র।উচ্চশিক্ষামন্ত্রীকে অপমান করলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, নিন্দার ঝড় সর্বত্র
আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৩ মে ৷৷ ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গিয়ে রীতিমত অপমানিত হয়ে এলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান চলার পর অন্তিম দিকেই তাল কাটে। ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডুর উপস্থিতিতেই বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান মঞ্চে ভাষন দিতে গিয়ে অপমানিত হলেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। এদিন প্রধান অতিথি হিসাবে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু ভাষন রাখার পর ভাষন রাখার জন্য আহ্বান করা হয় রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীকে। তিনি ভাষন শুরু করার এক মিনিট পরেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক জনৈক এক শিক্ষক ভাষন সংক্ষিপ্ত করার জন্য কাগজে লিখে উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীর হাতে এনে দেয়। এতে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ। মুহূর্তের মধ্যেই ভাষন সমাপ্ত করে মঞ্চ ছেড়ে নেমে আসেন তিনি। মন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মঞ্চতে বসবোনা বলার পরেও আমাকে কেন মঞ্চে ডেকে নিয়ে গিয়ে বসানো হলো। তিনি বলেন, একজন প্রধান অতিথির ভাষণের পর কিভাবে আরেকজনের ভাষন থাকে। কেন উপ-রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর তাকে ভাষন দিতে ডাকা হলো। তারপর আবার ভাষন তাড়াতাড়ি শেষ করার কথা বলে। এতে তিনি প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হন। উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বিদ্যালয়ে বহু দিন ধরে একটা দুষ্ট চক্র কাজ করে আসছে। শিক্ষা ক্ষেএে কেলেঙ্কারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রোজকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর শেষ দেখে ছাড়বেন বলে বেড়িয়ে আসেন তিনি। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় সর্বত্র।