গোপাল সিং, খোয়াই, ০৫ জুন ৷৷ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে এই প্রথম রাজ্যভিত্তিক বনমহোৎসবের সূচনা হল খোয়াইতে। বিগত ৩০-৩৫ বছর যাবত জুলাই মাস থেকে একমাস ব্যাপী বনমহোৎসব কর্মসূচী হাতে নেওয়া হতো। কিন্তু এবছর নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর জুন মাসেই বনমহোৎসবের সূচনা হল। হাতে সময় দু’মাস। ত্রিপুরা রাজ্যে বর্তমানে ৭৪ ভাগ বনভূমি রয়েছে। এই বনভূমিতে গরীব-কৃষক-জনজাতিদের জন্য বাঁশ চাষ করে রোজগারের ব্যবস্থা করা যায়। আনারস চাষের মাধ্যমে ফুড প্রসেসিং ইন্ডাষ্ট্রিজকে উন্নত করা যায়। এছাড়া ইকো ফ্রেন্ডলি বাঁশ চাষ যখন ত্রিপুরার ৭৪ ভাগ বনভূমিতে করা শুরু হবে তখন দেশের প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। কারন বর্তমানে বাঁশ ও কাগজের জন্য ১ লক্ষ কোটি টাকা দেশের বাইরে চলে যায়। খোয়াই তুলাশিখরে একলব্য স্কুল মাঠে আয়োজিত ৬৯তম রাজ্যভিত্তিক বনমহোৎসবের উদ্বোধন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এমনই বিকাশের তথ্য তুলে ধরলেন সোমবার। এদিন সকালে বনমন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া বাইক র্যা লীর মাধ্যমে বনমহোৎসবের সূচনা করেন। বিকেল ৪টায় তুলাশিখর একলব্য স্কুল মাঠে চাঁপা ফুলের গাছ লাগিয়ে এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে রাজ্যভিত্তিক ৬৯তম বনমোহৎসবের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিনকার অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুই বিধায়ক পিণাকী দাসচৌধূরী ও প্রশান্ত দেববর্মা, মুখ্যমসচতেক কল্যাণী রায়, মুখ্য বন আধিকারিক অতুল কুমার গুপ্তা উপস্থিত ছিলেন।