বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৮ জুন ৷। বর্ষার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে দোকান করতে বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হচ্ছে শান্তিরবাজারের কিছু সংখ্যক সব্জী ব্যবসায়ীদের। বৃহস্পতিবার শান্তিরবাজারের সাপ্তাহিক বাজার বার। এই সাপ্তাহিক বাজারকে কেন্দ্র করে শান্তিরবাজারের গ্রামীন এলাকার কিছু সংখ্যক কৃষক উনাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে বাজারে বিক্রি করার জন্য আসেন। কিন্তু দেখা যায় যে সকল সব্জী বিক্রেতা প্রতিনিয়ত কৃষকদের কাছ থেকে সব্জী ক্রয় করে বিক্রি করে তারা আরামের সহিত সেড ঘরে সব্জী বিক্রি করে। কিন্তু প্রকৃত কৃষকরা উনদের উৎপাদিত ফসলগুলি নিয়ে বাইরে খোলা আকাশের নিচে বসতে হয়। এতে করে বর্ষার সময় উনাদের বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হতে হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি হবার কারনে কিছু সংখ্যক কৃষক ছাতা মাথায় দিয়ে আর কিছু সংখ্যক কৃষক বৃষ্টিতেই ভিজে উনাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করার জন্য বসে রয়েছে। বৃষ্টির ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কে সমস্যার সন্মুখিন হতে হয়। অপরদিকে দেখা যায় সেড ঘরে থাকা সব্জী বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের তুলনায় চওড়া দামে সব্জী বিক্রি করে। অধিক মুনফার লক্ষ্যে সেড ঘরে থাকা সব্জী বিক্রেতারা সব্জী বিক্রি করে। তাই অধিকাংশ ক্রেতা বৃষ্টির জলে ভিজেও সব্জী ক্রয় করার জন্য বাইরের দোকানগুলিতে ছুটে যায়। তাই গ্রামীন এলাকার কৃষকদের দাবী, বাজার কমিটি উনাদের ব্যবসার সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে ছাউনি দিয়ে সেড ঘর বানিয়ে দিলে উনারা উপকৃত হবেন। এতে করে কৃষকরা এই বর্ষায় কোনো প্রকার দোকান-দারী করে উনাদের পরিবার চালাতে পারবেন। এখন দেখার বিষয়, এই ছোটখাটো সব্জী বিক্রেতাদের উন্নয়ন স্বার্থে পৌর নিগম ও বাজার কমিটি কি প্রকার পদক্ষেপ গ্রহন করেন।বর্ষায় খোলা আকাশের নিচে ব্যবসায় বিভিন্ন সমস্যায় বাজার কমিটির দারস্থ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ১৮ জুন ৷। বর্ষার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে দোকান করতে বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হচ্ছে শান্তিরবাজারের কিছু সংখ্যক সব্জী ব্যবসায়ীদের। বৃহস্পতিবার শান্তিরবাজারের সাপ্তাহিক বাজার বার। এই সাপ্তাহিক বাজারকে কেন্দ্র করে শান্তিরবাজারের গ্রামীন এলাকার কিছু সংখ্যক কৃষক উনাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে বাজারে বিক্রি করার জন্য আসেন। কিন্তু দেখা যায় যে সকল সব্জী বিক্রেতা প্রতিনিয়ত কৃষকদের কাছ থেকে সব্জী ক্রয় করে বিক্রি করে তারা আরামের সহিত সেড ঘরে সব্জী বিক্রি করে। কিন্তু প্রকৃত কৃষকরা উনদের উৎপাদিত ফসলগুলি নিয়ে বাইরে খোলা আকাশের নিচে বসতে হয়। এতে করে বর্ষার সময় উনাদের বিশেষ অসুবিধার সন্মুখিন হতে হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি হবার কারনে কিছু সংখ্যক কৃষক ছাতা মাথায় দিয়ে আর কিছু সংখ্যক কৃষক বৃষ্টিতেই ভিজে উনাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করার জন্য বসে রয়েছে। বৃষ্টির ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়কে সমস্যার সন্মুখিন হতে হয়। অপরদিকে দেখা যায় সেড ঘরে থাকা সব্জী বিক্রেতারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের তুলনায় চওড়া দামে সব্জী বিক্রি করে। অধিক মুনফার লক্ষ্যে সেড ঘরে থাকা সব্জী বিক্রেতারা সব্জী বিক্রি করে। তাই অধিকাংশ ক্রেতা বৃষ্টির জলে ভিজেও সব্জী ক্রয় করার জন্য বাইরের দোকানগুলিতে ছুটে যায়। তাই গ্রামীন এলাকার কৃষকদের দাবী, বাজার কমিটি উনাদের ব্যবসার সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে ছাউনি দিয়ে সেড ঘর বানিয়ে দিলে উনারা উপকৃত হবেন। এতে করে কৃষকরা এই বর্ষায় কোনো প্রকার দোকান-দারী করে উনাদের পরিবার চালাতে পারবেন। এখন দেখার বিষয়, এই ছোটখাটো সব্জী বিক্রেতাদের উন্নয়ন স্বার্থে পৌর নিগম ও বাজার কমিটি কি প্রকার পদক্ষেপ গ্রহন করেন।