আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ জুন ৷। হিন্দুধর্মের একটি বাৎসরিক উৎসব হল অম্বুবাচী। আষাঢ মাসে অম্বুবাচী পালন করা হয়। অম্বুবাচীকে বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় অমাবতীও বলা হয়ে থাকে। বাংলা প্রবাদে রয়েছে ‘কিসের বার কিসের তিথি, আষাঢ়ের সাত তারিখ অম্বুবাচী।’ এদিন থেকেই হয় অম্বুবাচী শুরু। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বলা হয়েছে, সূর্য যে বারের যে সময়ে মিথুন রাশিতে গমন করেন, তার পরবর্তী সেই বারের সেই কালে অম্বুবাচী হয়। অর্থাৎ, পৃথিবী এই সময়ে ঋতুমতী হন।জানা যায়, অম্বুবাচী ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান হলেও এর সঙ্গে প্রাচীন কৃষি ব্যবস্থা জড়িয়ে থাকায় এটি একটি কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠানও। তাই এই তিন দিন জমিতে কোনও রকম চাষ করা হয় না।
অম্বুবাচীর তিন দিন পর্যন্ত কোনও ধরনের মাঙ্গলিক কাজ করা যায় না। চতুর্থ দিন থেকে কোনও বাধা থাকেনা। অম্বুবাচীর সময় হাল ধরা, বৃক্ষরোপণ, গৃহ প্রবেশ, বিবাহ ইত্যাদি শুভ কাজ করা নিষিদ্ধ, এই সময়ে মঠ-মন্দিরের প্রবেশদ্বারও বন্ধ থাকে।
অসমের কামাখ্যা মন্দিরে অম্বুবাচী উপলক্ষ্যে উৎসব পালন করা হয়। এদিকে প্রতিবছরই ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানীর লক্ষ্মী নারায়ণ বাড়িতে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন মহিলারা। কিন্তু এবার করোনা আবহে লক্ষ্মী নারায়ণ বাড়িতে জমায়েত ও ভক্তদের উপস্থিতি বন্ধ রাখার নির্দেশ রয়েছে। তাই লক্ষ্মী নারায়ণ বাড়ির সন্মুখেই আগত মহিলারা সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন।
