আপডেট প্রতিনিধি, বক্সনগর, ০৬ নভেম্বর || কথায় আছে ‘চোরের দশ দিন আর গৃহস্থের এক দিন’। দীর্ঘ দিন ধরে গরু চোরের উপদ্রপে গোটা সোনামুড়া মহকুমাবাসী অতিষ্ঠ এবং আতঙ্কগ্রস্ত ও উৎকণ্ঠায় রাতে র নিদ্রা কেরে নিয়েছে চোরের দল। শুক্রবার রাত আনুমানিক দু’টার সময় সোনামুড়া থানার অন্তরভূক্ত কমলনগর ৫নং ওর্য়াডের গৃহস্থ লিটন পালের বাড়িতে এক দল চোর গরু চুরি করতে আসে।যথারিতি লিটন পালের ঘর থেকে চোরেরা গরু বের করার সময় টের পেয়ে যায় তার স্ত্রী। সঙ্গে সঙ্গে স্বামী ও স্ত্রী উভয় মিলে চিৎকার করে, তাতে গ্রামবাসী সজাগ হয়ে যায়। চোরের দলের মধ্যে থেকে এক চোর দা দিয়ে বাড়ির মালিক লিটন পালকে কোপ মারে তাতে লিটনের কান ও ঘার কেটে যায়। লিটন পালকে কমলনগর প্রাথমিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এদিকে গ্রামবাসি পুরো এলাকায় জাগিয়ে সমস্থ যুবকদের সঙ্গে নিয়ে চোর ধরার জন্য উৎ পেতে বসে। অবশে রাত আড়াইটার পর একজন চোরকে ধরতে সক্ষম হয় গ্রামবাসি। প্রথমে চোরকে নাম জিজ্ঞেস করেছে কিন্তু চুরা নাম তিন চারটি নাম বলেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যে ছিল, বাড়ি বাংলাদেশের জামবাড়ী এলাকায়।তিন জন চোর এসেছিল বলে একজন গ্রামের লোক থেকে জানা যায়। আমজনতার গণধোলাই ও মারে এক চোরের মৃত্যু হয়। পর দিন সকালবেলা আটটার সময় সোনামুড়া থানা বাবুরা এসে চুরের ঘটনা সম্পর্কে তদন্ত করছে।চোরটা বাংলাদেশী ছিল বলে পুলিশ সুত্রে জানা যায়। পুলিশ গণধুলাইয়ে মৃত চোরের লাশ সোনামুড়া হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। এহেন পরিস্থিতিতে কমলনগরবাসী দীর্ঘ দিন যাবত পুলিশ প্রশাসনও সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে হাজারো প্রস্ন তুলেছেন। সীমান্তে তাঁরকাটা বেড়া রয়েছে তারপরও কেন গ্রামবাসি নিরাপত্তা হীনতায় ভোগেন। প্রশাসন আরো কঠোর নিরাপত্তা দিতে হবে তবেই চুরি বন্ধ হবে উক্ত আশাটুকু গ্রামবাসী করছে।
