বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৭ এপ্রিল || শান্তিরবাজার থানার ওসি বিশ্বজিৎ দেবর্বমা শান্তিরবাজার থানায় আসার পর থেকে নেশাকারবারীদের দমনে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। তিনি একের পর এক নেশাকারবারীকে গ্রেপ্তার করে তদন্তক্রমে নেশার সামগ্রী বিক্রেতার মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন। সোমবার রাত থেকে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য শান্তিরবাজার থানা থেকে প্রফেশনাল এস আই সুজিত সরকারকে সাথে নিয়ে ছুটে যায় আগরতলায়। অবশেষে মঙ্গলবার আগরতলার এন সি সি থানার পুলিশের সহযোগিতায় ড্রাগস ব্যাবসায়ীর মাস্টার মাইন্ড মৃদুল ঘোষকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় শান্তিরবাজার থানার পুলিশ। মৃদুল ঘোষকে গ্রেপ্তার করে রাত্রিবেলায় নিয়ে আসা হয় শান্তিরবাজার থানায়। বুধবার সমস্ত আইনি পক্রিয়া সেরে অভিযুক্ত মৃদুল ঘোষকে মেডিকেল করিয়ে বিলোনায়া জেলা ও দায়রা আদালতে প্রেরন করা হয়। এই ঘটনার বিবরণ জানাতে গিয়ে শান্তিরবাজার থানার ওসি বিশ্বজিৎ দেবর্বমা জানান, শান্তিরবাজার থানার কেইস নাম্বার ৯’এ প্রথমে বেতাগা থেকে নেশাসামগ্রী সহ হিরালাল দেবনাথকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ রিমান্ডে এনে জিঞ্জাসাবাদ করায় জোলাইবাড়ীর বাসিন্দা পঙ্কজ বারজের নাম উঠে আসে। পরবর্তী সময় বাইখোড়া থানার ওসির সহযোগিতায় পঙ্কজ বারজকে গ্রেপ্তার করে পুনরায় পুলিশ রিমান্ডে আনার পর জিঞ্জাসাবাদে উঠে আসলো নেশা সামগ্রী বিক্রেতার মূল অভিযুক্তের নাম। পরবর্তী সময় আগরতলা থেকে মূল অভিযুক্ত মৃদুল ঘোষকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলো শান্তিরবাজার থানার পুলিশ। বুধবার অভিযুক্তকে বিলোনিয়া জেলা ও দায়রা আদালতে প্রেরন করে পুনরায় পুলিশ রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হবে বলে জানান ওসি বিশ্বজিৎ দেবর্বমা। ওসির একের পর এক এই ধরনের সাফল্যে খুবই খুশি শান্তিরবাজারের লোকজন। সকলে আশাবাদী শান্তিরবাজার থানার এইধরনের সাফল্যে মহকুমায় নেশার প্রকোপ কমবে। মুখ্যমন্ত্রীর নেশামুক্তি ত্রিপুরা গঠনে বিশেষ ভাবে কাজ করে যাচ্ছে ওসি বিশ্বজিৎ দেবর্বমা।
