আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৭ সেপ্টেম্বর || রাজ্যের জেলা থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে কেন্দ্রীয় সরকারের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে রাজধানী আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের ১নং প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রতি ঘরে সুশাসন’ অভিযানের সূচনা করা হয়। ১৭ই সেপ্টেম্বর দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী’র জন্মদিনকে স্মরণীয় করে রাখতে সমাজের অন্তিম ব্যক্তির কাছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই শনিবার (১৭ই সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হলো ‘প্রতি ঘরে সুশাসন’ অভিযান। এই অভিযান চলবে আগামী ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত। এই ‘প্রতি ঘরে সুশাসন’ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের ঘরে ঘরে উন্নয়ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সমস্ত সুবিধাভোগীদের জন্য সুনিশ্চিত করা।
রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা, উপ-মুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেব বর্মণ, রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, ত্রিপুরা সরকারের মুখ্যসচিব জে কে সিনহা, রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক অমিতাভ রঞ্জন, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রতিশ্রুতি পালন করছে রাজ্য সরকার। সামাজিক ভাতা যা আগে ৭০০ টাকা ছিল, ২০১৮ তে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার আসার পর সেটাকে বৃদ্ধি করে ১০০০ টাকা করা হয়েছিল। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনের এই শুভ দিনে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে যে, সামাজিক ভাতা ১ হাজার টাকা থেকেও বৃদ্ধি করে ২০০০ টাকা করা হবে এবং তার বাস্তবায়ন এই মাস থেকেই শুরু হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা কথায় বিশ্বাসী না, কাজে বিশ্বাসী। এই দিশাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী’র আদর্শকে সামনে রেখে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যের প্রতিটা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়েই “প্রতি ঘরে সুশাসন” অভিযান কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে।
