অধ্যক্ষের দায়সারা কর্তব্য পালনের কারণে গরীমা হারাচ্ছে তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়!

সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ২৬ জানুয়ারি || মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের দায়সারা কর্তব্য পালনের কারণে রসাতলে তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সহ অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামো। এমনটাই অভিযোগ তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের একাংশ পড়ুয়াদের। সংবাদে প্রকাশ, তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয় বেশ সুনামের সঙ্গে দীর্ঘ বছর ধরে একটা বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে রেখেছিল গোটা রাজ্যের মধ্যে। গোটা খোয়াই জেলা সহ এই ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ে নিজেদের কলেজ জীবনের পড়াশোনা করার জন্য বেশ আগ্রহের সঙ্গে ভর্তি হত। কিন্তু বিগত প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এই চিত্র সম্পূর্ণভাবে পাল্টে যায়। কারণ, রাজ্যের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন একাংশ সচেতন মহলের বক্তব্য বিগত প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের খ্যাতি অনেকটাই রসাতলের দিকে ধাবিত হয়েছে। অভিযোগ, তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের দায়িত্বভার যেদিন থেকে ডঃ মিহির পাল গ্রহণ করেছেন সেই দিন থেকেই এই কলেজের খ্যাতি ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে শুরু করে। কারণ, উনার বিরুদ্ধে অভিযোগ তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিসাবে উনার কর্তব্য পালন একেবারেই দায় সারা। আর এর ফলে এই তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ে কোনো শৃঙ্খলা একেবারেই নেই বললে চলে। তাছাড়া, তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সুত্রের খবর, কলেজের কোথায় কি হচ্ছে এই ব্যাপারে নাকি অধ্যক্ষ ডঃ মিহির বাবু একেবারেই খোঁজখবর রাখেন না। উনার এই দায়সারা কর্তব্য পালন দিন দিন তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের পরিকাঠামো’কে একেবারেই ধ্বংস করে দিচ্ছে। মহাবিদ্যালয়ের একাংশ ছাত্র-ছাত্রী মহলের অভিযোগ, তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাব চলছে প্রায় এক বছর ধরে। তাছাড়া মহাবিদ্যালয়ের শৌচালয়গুলির অবস্থাও নাকি একেবারেই জঘন্য, যাতে করে এই মহাবিদ্যালয়ে পঠন পাঠন করতে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি এটাই যে তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ এই সকল সমস্যাগুলি সকলের দৃষ্টিতে আসলেও তেলিয়ামুড়া সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডঃ মিহির বাবুর দৃষ্টিতে কখনোই এই সমস্যাগুলি পরেনা। এখন এটাই দেখার বিষয় এই প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর মহাবিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ এই সকল সমসাগুলি মিহির বাবুর দৃষ্টিতে আসে কিনা।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*