সাগর দেব, তেলিয়ামুড়া, ৩০ মে || জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজের সাথে কোন আপোষ নয়, এই দৃঢ়চেতা মানসিকতায় ভর করে রাস্তায় নেমে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে কাজের বিষয়ে কিভাবে পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যবেক্ষণ করতে হয়, এই ক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার রীতিমত নজির তৈরি করলেন তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা কল্যাণী সাহা রায়।
প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় তেলিয়ামুড়া অম্পি চৌমুহনী থেকে মহকুমা হাসপাতাল পর্যন্ত যে সড়ক পথটি রয়েছে সেই সড়ক পথটি দীর্ঘদিন ধরেই ভগ্ন প্রায় বেহাল অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কটি মেরামতের দাবি উঠছিল বিভিন্ন মহল থেকে।
এই রাস্তাটির সঠিক এবং প্রয়োজনীয় মেরামতের বরাত এবং দায়িত্ব এনএইচডিসিএল এর হাতে হস্তান্তর করার পরেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না। অবশেষে এদিন বিভিন্ন স্তরের আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় একাংশ জনগণকে সাথে নিয়ে গোটা রাস্তাটা পর্যবেক্ষণ করলেন বিধায়িকা। শুধু পর্যবেক্ষণ করলেন না, রীতিমতো গোটা রাস্তায় সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে হাটালেন এবং উনার কাছ থেকে জানতে চাইলেন অন ক্যামেরায় কোথায় কি কাজ হয়েছে দেখানোর জন্য। যদিও একটা সময়ে অনেকটাই লেজে গোবরে হয়ে যায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
এই বিষয়ে বিধায়ীকার স্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার কাজ নিয়ে কোনোভাবেই আপোষ করা যাবেনা। যেহেতু এনএইচডিসিএল কাজে গাফিলতি করছে, তিনি গোটা বিষয় নিয়ে প্রয়োজনে দেশের সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গড়গরীর সাথে কথা বলবেন এমনটাই দাবি শ্রীমতি সাহা রায় এর।
