আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৩ এপ্রিল || খারাপ মরসুমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের কাছে আধুনিক কৃষি পদ্ধতির সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ১৫ দিন ব্যপি বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান (VKSA) ত্রিপুরায় ব্যপক সাড়া পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার এই বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান শেষ হয়।
শুক্রবার আগরতলা শহরতলীর নাগিছড়ায় কৃষি কেন্দ্রে এক ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ একথা জানান। এদিন তিনি বলেন, রাজ্যে ৮৭৩টি মতবিনিময় সভায় রেকর্ড সংখ্যক ১ লাখ ৯৫ হাজার কৃষক অংশ নেন। যেখানে ৩৪ শতাংশ মহিলা কৃষক অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিশিষ্ট নয় জন কৃষকের হাতে কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ কৃষি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য ১০ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ বিকশিত কৃষি সংকল্প অভিযান প্রসঙ্গে বলেন, ‘এক দেশ, এক কৃষি, এক ভবনা’ এই লক্ষ্য নিয়ে কৃষি নির্ভর ভারতকে বিশ্ব শস্য ভান্ডার হিসাবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই এই অভিযান। গত ২৯শে মে দেশের আন্যান্য প্রান্তের সঙ্গে ত্রিপুরা রাজ্যেও এই অভিযানের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ মানিক সাহা।
এদিন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন, ত্রিপুরায় লোক সংখ্যা অনুযায়ী খাদ্যশষ্য উৎপাদনে কিছুটা ঘাটতি থাকলেও তা ক্রমেই কমে আসছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরায় কৃষি বিজ্ঞানি ও কৃষকদের সহায়তায় বিভিন্ন ফসলের যেমন উৎপাদন হচ্ছে তেমনি নতুন নতুন কৃষি পন্যও ফলানোয় সাফল্য পাওয়া গেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি ত্রিপুরায় উতপাদিত উন্নত প্রজাতির দুই ধরনের পেঁয়াজ, উন্নত প্রজাতির ও সুস্বাদু আম উপস্থিত করেন। তিনি জানান, গবেষকরা ত্রিপুরায় এমন এক ধান বীজ উদ্ভাবন করেছেন যে ফসল মাঠে অন্তত ১৫ দিন জলের তলায় থকলেও নষ্ট হবে না বা পচন ধরবে না। এছাড়া অরুন্ধতী নামে আরও এক উন্নত প্রজাতির ধান বীজ উদ্বাবন করা সম্ভব হয়েছে ত্রিপুরায়, বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।
