আপডেট প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ জুলাই || ত্রিপুরায় স্মার্ট মিটার বসানোর পর থেকেই বিদ্যুৎ বিল নিয়ে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসছে। অস্বাভাবিক বিলের অভিযোগে তীব্র অসন্তোষ ছড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। এমনকি কারও কারও ক্ষেত্রে মাসিক বিদ্যুৎ বিল ৮২ হাজার টাকাও ছাড়িয়েছে!
এই বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “স্মার্ট মিটার নিয়ে জালিয়াতি হচ্ছে। এই অনিয়ম রুখতেই রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে, যারা প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখবে।”
মন্ত্রী নিজেই তদন্তের নির্দেশ দিলে সরকারি নিগমের তরফে একটি অনুসন্ধান চালানো হয়। তদন্তে উঠে আসে বড় ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ। জানা যায়, একাধিক মিটার রিডার ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দিয়ে অতিরিক্ত বিল তৈরি করেছে। শুধু তাই নয়, কিছু বেসরকারি বিলিং এজেন্সিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিল বাড়িয়ে তোলে।
এই ঘটনায় বিদ্যুৎ দপ্তর শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি এজেন্সিকে। পাশাপাশি, একাধিক মিটার রিডারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী রতন লাল নাথ জানিয়েছেন, সাধারণ গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতির জন্য দায়ী এজেন্সির কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে। একইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, এই অনিয়মে যারা যুক্ত, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না।
স্মার্ট মিটার বিতর্কে রাজ্য জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ ও কঠোর মনোভাব দেখে আপাতত আশার আলো দেখছেন বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।
