ড্রাগ নিয়ন্ত্রণে সাফল্যের মাঝেই নতুন বিপদ! অভিযোগ—কিছু অসাধু ফার্মেসি মুনাফার লোভে বিক্রি করছে নেশাজাতীয় ওষুধ, সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব

গোপাল সিং, খোয়াই, ১১ সেপ্টেম্বর || খোয়াই শহরে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ কিছুটা সাফল্য পেলেও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। অভিযোগ উঠছে, শহরের কয়েকজন অসাধু ঔষধ ব্যবসায়ী অতি মুনাফার আশায় গোপনে নেশাজাতীয় ওষুধ বিক্রি করছে। এর ফলে খোয়াইয়ের তরুণ প্রজন্ম অজান্তেই ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, মাদক পাচার চক্র যখন পুলিশি নজরদারির জালে ধরা পড়ছে, তখনই এই ফার্মেসিগুলি ‘বিকল্প পথ’ দেখিয়ে যুব সমাজকে নেশার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সূত্রের খবর, ড্রাগ ইন্সপেক্টরের আইনি জটিলতা ও নিয়মের ফাঁকফোকর কাজে লাগিয়ে বারবার ছাড় পাচ্ছে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীরা। ফলে পুলিশের পক্ষেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
খোয়াই শহরে যখন মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ কিছুটা সাফল্য পেতে শুরু করেছে, তখনই সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। বুধবার রাত ৮টার দিকে খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ের পাশে নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ধৃত যুবক পুলিশকে জানায়, সে-সহ অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের ট্যাবলেট সেবন করে আসছে। ড্রাগ পাউডারের দাম এখন প্রতি কৌটা ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায়, খোয়াই শহরের কয়েকটি ফার্মেসি বিকল্প হিসাবে নেশার ট্যাবলেট সরবরাহ করছে। যুবকটি দাবি করে, চাইলেই সে সরাসরি দেখিয়ে দিতে পারে কোন কোন ওষুধের দোকান থেকে এই ট্যাবলেট কেনা হচ্ছে। যুবকের কথা অনুযায়ী পুলিশ ও ড্রাগ ইনস্পেক্টর সুভাষপার্কস্থিত ‘জয়রাম মেডিকেল হল’ ওষুধের দোকানে তল্লাশী চালায়। পরবর্তী সময় দেখা যায় দোকান থেকে সিসিটিভি ফুটেজও গায়েব! এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ছোটখাটো সেবনকারী বা বিক্রেতারা ধরা পড়লেও মূল চক্র রয়ে যাচ্ছে অধরাই।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*