বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ জুন ৷৷ প্রাকৃতিক কাজ করতে গিয়ে নদীর জলে ভেষে গেল সমীর ভৌমিক ( ৪৫) নামে জনৈক এক ব্যক্তি। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তরগত জোলাই বাড়ী দেবদারু এলাকায় পিলাকছড়াতে ভেষে যায় তিনি। তিনি প্রতিদিন প্রাকৃতিক কাজ নদীতে করেন বলে জানা যায়। বুধবার সকাল সারে পাচটা নাগাদ নদীতে গেলে তিনি আর ফিরে আসেননি। অনেকক্ষন যাবৎ বাড়ীতে না ফেরায় বাড়ীর লোকজনের মনে সন্দেহ জাগে ও চারিদিকে খোজ শুরু করে। সমীর ভৌমিকের বাড়ীতে ২৫ বছরের এক ছেলে ও ওনার স্ত্রী রয়েছেন। সমীর ভৌমিক মিরকী রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা যায়। হয়তোবা বুধবার সকালে এই রোগের জন্য উনি জলে পরে যায় বলে অনুমান করা হয়েছে। ঘটনার খবর ছরিয়ে পরার সঙ্গে সঙ্গে জোলাইবাড়ী ব্লকের বি ডি ও সুভাস দত্ত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ও তিনি নবম বাহিনী টি এস আর কে খবর দেন। টি এস আর এর লোকজন পাম্পবোর্ট নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরবর্তী সময় বিধায়ক জশবীর ত্রিপুরা, শান্তির বাজার মহকুমা শাসক বিশ্বশ্রী বি, ডি সি এম সরুপ কুমার পাল, ডিসিএম সৈকত সাহা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সংবাদ লেখা পর্যন্ত দেহের এখনো কোনো হদিশ মিলেনি বলে জানায়ায়।প্রাকৃতিক কাজ করতে গিয়ে নদীর জলে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি
বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ০৫ জুন ৷৷ প্রাকৃতিক কাজ করতে গিয়ে নদীর জলে ভেষে গেল সমীর ভৌমিক ( ৪৫) নামে জনৈক এক ব্যক্তি। শান্তির বাজার মহকুমার অন্তরগত জোলাই বাড়ী দেবদারু এলাকায় পিলাকছড়াতে ভেষে যায় তিনি। তিনি প্রতিদিন প্রাকৃতিক কাজ নদীতে করেন বলে জানা যায়। বুধবার সকাল সারে পাচটা নাগাদ নদীতে গেলে তিনি আর ফিরে আসেননি। অনেকক্ষন যাবৎ বাড়ীতে না ফেরায় বাড়ীর লোকজনের মনে সন্দেহ জাগে ও চারিদিকে খোজ শুরু করে। সমীর ভৌমিকের বাড়ীতে ২৫ বছরের এক ছেলে ও ওনার স্ত্রী রয়েছেন। সমীর ভৌমিক মিরকী রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা যায়। হয়তোবা বুধবার সকালে এই রোগের জন্য উনি জলে পরে যায় বলে অনুমান করা হয়েছে। ঘটনার খবর ছরিয়ে পরার সঙ্গে সঙ্গে জোলাইবাড়ী ব্লকের বি ডি ও সুভাস দত্ত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ও তিনি নবম বাহিনী টি এস আর কে খবর দেন। টি এস আর এর লোকজন পাম্পবোর্ট নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরবর্তী সময় বিধায়ক জশবীর ত্রিপুরা, শান্তির বাজার মহকুমা শাসক বিশ্বশ্রী বি, ডি সি এম সরুপ কুমার পাল, ডিসিএম সৈকত সাহা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সংবাদ লেখা পর্যন্ত দেহের এখনো কোনো হদিশ মিলেনি বলে জানায়ায়।