আপডেট প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ০১ ফেব্রুয়ারি ৷। উপজাতি রমনীদের পরিধানকারী বস্ত্র হিসাবে অন্যতম হলো পাঁছড়া। এই পাঁছড়া তারা নিজেরাই তৈরি করে বিভিন্ন বাজার থেকে সুতা ক্রয় করে। কোন কোন পাঁছড়া তৈরি করতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। আবার রকমারির ফুল যুক্ত বিশেষ পাঁছড়া তৈরি করতে ১৫ থেকে ১৬ দিন লাগে। আর বাজার থেকে সুতো ক্রয় করতে তাদের প্রয়োজন হয় নগদ ২০০ থেকে ২৫০ টাকার। অন্যদিকে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার বিনিময়ে ক্রয় করা সুতো দিয়ে তাদের তৈরী পাঁছড়া বাজারে বিক্রি করে ২০০০/২৫০০/৫০০০ টাকা ধরে। তবে উপজাতি এক রমণী জানায়, সাধারণ পাঁছড়া এবং রকমারির ফুল যুক্ত পাঁছড়া পৃথক পৃথক দামে বিক্রি হয় বাজারে। তবে বাড়ি ঘর থেকে তারাও বিক্রি করে বাজার মূল্যের সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে। অন্যদিকে তিনি ছোটবেলা থেকেই তাদের ঐতিহ্যবাহী পাঁছড়া তৈরি করে আসছে। তবে এরাজ্যে উপজাতি রমণীদের হাতের তৈরি বস্ত্র পাঁচড়া রাজ্যের বাজারগুলিতে যেমন কদর আছে তেমনি বহিঃরাজ্যের বাজারগুলিতেও কদর আছে।রাজ্যের উপজাতি রমণীদের হাতের তৈরি পাঁচড়ার কদর বহিঃরাজ্যেও
আপডেট প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া, ০১ ফেব্রুয়ারি ৷। উপজাতি রমনীদের পরিধানকারী বস্ত্র হিসাবে অন্যতম হলো পাঁছড়া। এই পাঁছড়া তারা নিজেরাই তৈরি করে বিভিন্ন বাজার থেকে সুতা ক্রয় করে। কোন কোন পাঁছড়া তৈরি করতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। আবার রকমারির ফুল যুক্ত বিশেষ পাঁছড়া তৈরি করতে ১৫ থেকে ১৬ দিন লাগে। আর বাজার থেকে সুতো ক্রয় করতে তাদের প্রয়োজন হয় নগদ ২০০ থেকে ২৫০ টাকার। অন্যদিকে ২০০ থেকে ২৫০ টাকার বিনিময়ে ক্রয় করা সুতো দিয়ে তাদের তৈরী পাঁছড়া বাজারে বিক্রি করে ২০০০/২৫০০/৫০০০ টাকা ধরে। তবে উপজাতি এক রমণী জানায়, সাধারণ পাঁছড়া এবং রকমারির ফুল যুক্ত পাঁছড়া পৃথক পৃথক দামে বিক্রি হয় বাজারে। তবে বাড়ি ঘর থেকে তারাও বিক্রি করে বাজার মূল্যের সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে। অন্যদিকে তিনি ছোটবেলা থেকেই তাদের ঐতিহ্যবাহী পাঁছড়া তৈরি করে আসছে। তবে এরাজ্যে উপজাতি রমণীদের হাতের তৈরি বস্ত্র পাঁচড়া রাজ্যের বাজারগুলিতে যেমন কদর আছে তেমনি বহিঃরাজ্যের বাজারগুলিতেও কদর আছে।