বিশ্বেশ্বর মজুমদার, শান্তিরবাজার, ২৬ জুলাই || মঙ্গলবার শান্তিরবাজার মুকুট অডিটরিয়ামে এক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে বিবেকানন্দ বিচার মঞ্চের উদ্দ্যোগে শান্তিরবাজার মহকুমার ১৪টি বিদ্যালয় থেকে ১৪২ জন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এদিন প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করলেন বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং। বিধায়কের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজার পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান সপ্না বৈদ্য, শান্তিরবাজার পৌর পরিষদের এডুকেশন স্টেন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান রাজীব চক্রবর্তী, শান্তিরবাজার পৌর পরিষদের কাউন্সিলার শ্যামলাল দেবনাথ, বিবেকানন্দ বিচার মঞ্চের দক্ষিণ জেলার প্রভারি দেবাশিষ রায়, বিবেকানন্দ বিচার মঞ্চের প্রদেশের সদস্য গৌতম মজুমদার, বিবেকান্দ বিচারমঞ্চের ডি এম সি সমর সরকার সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক জানান, ছাত্রছাত্রীদের প্রধান শিক্ষক হলো মা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক। পিতা লেখাপড়া করানোর জন্য অর্থ যোগানের কাজে বড় ভূমিকা পালন করেন।
অপরদিকে প্রধান বক্তা গৌতম মজুমদার উনার বক্তব্যের মধ্যদিয়ে কাউকে ছোট করে না দেখার বিশেষ আহব্বান জানান। তিনি জানান, এইবছর যারা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ন্ন হতে পারেনি তাদেরকে যেন ছোট নজরে না দেখা হয়। কারন এমনও হতে পারে তাদের মধ্যে আগামীদিনে অনেকে ভালো ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে উচ্চ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারে। অপরদিকে যারা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায় উত্তীর্ন্ন হয়েছে তাদেরকে পুথিগত শিক্ষা ছারাও অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষা গ্রহনের জন্য বিশেষ আহব্বান জানান। এর মূল কারণ সকলে পূথিগত শিক্ষা গ্রহন করায় বিবেকানন্দ সহ অন্যান্য মহান ব্যক্তির জীবন কাহিনী সম্পর্কে কিছু বলে পারেননি। তাই সকলকে পুথিগত শিক্ষা ছারা অন্যান্য শিক্ষা গ্রহনের জন্য বিশেষ আহব্বান জানানো হয়।
