ডুম্বুর জলাশয়ে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়লো বিশাল আকারের মাছ, হাসি ফুটলো ক্রেতাদের মুখে

সুব্রত দাস, গন্ডাছড়া, ৩১ মে || ডুম্বুর জলাশয়ে মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়লো বিশাল আকারের মাছ, গন্ডাছড়াতে মাছের বন্যায় হাসি ফুটলো ক্রেতাদের মুখে।
গত কয়েকদিনের লাগাতার মুষলধারে বৃষ্টিতে একদিকে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও, অন্যদিকে মৎস্যজীবীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে ডুম্বুর জলাশয়। আজও মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়েছে বিশাল আকারের বড় বড় মাছের ঝাঁক। গন্ডাছড়াতে শনিবার বিকেলের মহকুমা মাছ বাজারগুলিতে গিয়ে দেখা গেল মাছের বন্যা।
ক্রেতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো, কারণ আগের তুলনায় মাছ বিক্রি হচ্ছে খুবই সস্তায়। প্রতি কেজি মাছের দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ২০০ টাকা থেকে, যা সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ১২ কেজি ও ১৪ কেজি ওজনের সুবিশাল কাতল মাছও, যা ক্রেতাদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
এই অপ্রত্যাশিত মাছের প্রাচুর্য স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জন্য এক আশীর্বাদস্বরূপ। টানা বৃষ্টির কারণে নদী ও জলাশয়ে জলের স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় মাছের আনাগোনা বেড়েছে এবং এর ফলে মৎস্যজীবীরা ব্যাপক পরিমাণে মাছ ধরতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে ডুম্বুর জলাশয়, যা তার বিশাল আকারের মাছের জন্য পরিচিত, এবারও তার সুনাম বজায় রেখেছে।
মাছ ব্যবসায়ীরাও এই সুযোগে ভালো ব্যবসা করছেন। একদিকে যেমন মৎস্যজীবীরা তাদের পরিশ্রমের ফল পাচ্ছেন, তেমনই অন্যদিকে ক্রেতারাও সাশ্রয়ী মূল্যে টাটকা মাছ কেনার সুযোগ পেয়ে খুশি। সাধারণ মানুষের জন্য এটি একটি স্বস্তির খবর, কারণ এই প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তারা পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির কারণে কিছু জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হলেও, মাছের যোগান অব্যাহত থাকায় বাজারে তার কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। বরং, মাছের প্রাচুর্য স্থানীয় অর্থনীতিতে এক নতুন গতি এনে দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন বজায় থাকবে, যা মৎস্যজীবী ও সাধারণ মানুষ উভয়ের জন্যই উপকারী হবে।

FacebookTwitterGoogle+Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*